ডা চন্দ্রগুপ্ত
সূর্যোদয়ের পথে পর্ব ৪
চতুর্থ পর্বের পর……
কৃষ্ণা প্রজাপতি, ওদের স্কুলের করণীকের স্ত্রীর পায়ে এমন তোড়া দেখে বলেছিল নমিতাকেও একটা বানিয়ে দেবে। কিন্তু সংসারের টানা পোড়েনে আর সম্ভব হয়ে ওঠে নি। হাত দিয়ে নমিতাকে জড়িয়ে ধরে বিনোদ বলল, দেবো তো। একটু গুছিয়ে নি, খুব সুন্দর লাগবে তোমার পায়ে।
আজকাল থার্মাল পাওয়ার অফিসের বাবুরা গাড়ি চেপে বিনোদের বাড়িতে আসে। উদ্দেশ্য মাশরুম কেনা। নমিতা সরকারী সাহায্যে মাশরুম চাষ শিখেছিল। পরে গ্রাম রোজগার যোজনার টাকা দিয়ে মাশরুম চাষ করছে বাড়িতে। গত মরশুমে পিঁপড়ে লেগে ব্যবসার অনেক ক্ষতি হয়েছিল। কিন্তু এবার নমিতার মনে হচ্ছে যে, যা ফলন হয়েছে তাতে গতবারের ক্ষতিও পুষিয়ে দেবে। বিনোদের মা সকালে মহুয়া তুলতে যাবার সময় মাশরুম নিয়ে থার্মাল পাওয়ার বাজারে বিক্রি করে দেয়। আসার সময় মহুয়া গিয়ে এসে মদ বানায় বাড়িতে। ফলে বিনোদের ঘরে শহুরে বাবু আর গ্রামের মাতালদের এক অদ্ভুত সমীকরণ হচ্ছে বলে মনে হয় নমিতার।
ক্রমশ…..
