ডা চন্দ্রগুপ্ত

সূর্যোদয়ের পথে পর্ব ৭

সপ্তম পর্বের পর…….

তারিনি বিনোদদের পাশের গ্রামে থাকে। সন্ধ্যে থেকে হাড়িয়া খায়। আজকাল ভাইদের দলে ঢুকেছে। ওর হাতের একনলা বন্দুকটা হাত দিয়ে সরিয়ে দিয়ে বিনোদ বিরক্ত হয়ে বলল, হাড়িয়া টেনে আমার মাথায় বন্দুক ঠেকাচ্ছিস কেন বে? কি সব খোঁচর এর গল্প দিচ্ছিস, ভদ্রলোকেরা সস্তায় মাশরুম কিনতে ঘরে আসে।

—ঠিক করে কথা বল বে, ঝাঁকিয়ে বলল তারিণি। —হাতে বন্দুক লিয়ে হিরো হইচিস তু। কেনে কথা বাড়াইঞ্চিস তারিণি। নিজে কাজে যা।

তারিণির পাশ কাটিয়ে বাড়ির দিকে যেতে যেতে বিনোদ বলল। তারিণির মুখের তাড়ির কটু গন্ধ থেকে বাঁচতে গায়ের কাঁথাটা নাকে নিয়ে এক পা এগোতেই

তারিণি হাতে থাকা একনলি বন্দুকের কুঁদো দিয়ে বিনোদের পিঠে একটা ধাক্কা দিল,

—শালা, বহুত বেড়েচিস। খোঁচড় হয়েইচো তুমি। হারামী। তারিণির এসব কথার মাঝেই দেখতে পেল গ্রামের ক’জন এদিকে আসছে। তাই সঙ্গে থাকা ওর দুই সাথীকে গিয়ে এগিয়ে যায় তারিণি। চিৎকার করে শুধু বিনোদকে শুনিয়ে দেয়; তোর সাজা হয়েই আছে, এখন শুধু সময়ের অপেক্ষার।

ক্রমশ……