করোনা সংক্রমণ কমার কোন ভাবেই লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না দেশে। এরাজ্যেও প্রায় একই অবস্থা। দিন দিন নতুন করে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে করোনা সতর্কতা মূলক নির্দেশাবলী প্রকাশ করা হলো।
নির্দেশাবলী অনুযায়ী:
• জনবহুল এলাকায় করোনার বিধি সঠিকভাবে মানতে হবে। ব্যবহার করতে হবে মাস্ক, স্যানিটাইজার।
• সপ্তাহে ন্যূনতম একবার প্রত্যেকটি সরকারি-বেসরকারি অফিস, ইন্ডাস্ট্রি, কমার্শিয়াল কমপ্লেক্স এ স্যানিটাইজেশনের ব্যবস্থা করতে হবে।
• সমস্ত বাজারগুলোকে গত বছরের মতন আবারও স্যানিটেশনের ব্যবস্থা করতে হবে।
• মার্কেট, বাজার যানবাহন যেখানে মানুষের ভিড় লেগে থাকে সেখানে মাস্ক, স্যানিটাইজার এবং শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখতে হবে।
• প্রত্যেকটি সরকারি অফিসে ৫০% কর্মী উপস্থিতি বজায় রাখতে হবে।
• যে সমস্ত বেসরকারি সংস্থা গুলি রয়েছে সেখানে কর্মচারীদের বাড়িতে থেকে কাজ, রটেশনাল শিফট অনুসারে কর্মীদের ভাগ করে কাজ করাতে হবে।
• কোন অফিসের যিনি দায়িত্বে থাকবেন তাকে সেই অফিসে যারা আসছেন তারা সঠিকভাবে মাস্ক এবং শারীরিক দূরত্ব বজায় রেখে কাজ করছেন কিনা তা নিশ্চিত করতে হবে।
• রেস্টুরেন্ট, শপিংমল, থিয়েটার বিভিন্ন জনবহুল জায়গায় ঢোকার সময় থার্মাল স্ক্যানিং তার সাথে স্যানিটাইজেশন এর ব্যবস্থা রাখতে হবে।
রাজ্য সরকারের এই সতর্কীকরণ নির্দেশিকা লঙ্ঘন হলে সে ক্ষেত্রে সেই সংস্থার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে রাজ্য সরকার। এমনই বলা রয়েছে নির্দেশিকায়। বাংলাতে করোনার দিন দিন প্রকল্প বাড়ছে। রাজ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে ৮ হাজারের কাছাকাছি দৈনিক সংক্রমণ। নতুন করে আক্রান্ত ৭ হাজার ৭১৩ জন। একদিনে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছেন ৩ হাজার ৪২৬ জন। একদিনে রাজ্যে করোনার বলি ৩৪।
এখনো পর্যন্ত রাস্তায় বেশিরভাগ মানুষ মাস্ক এর ব্যবহার করছেন না। বিশেষজ্ঞ মহলের দাবি মানুষের উদাসীন চিন্তা ভাবনা এবং কার্যকলাপের জন্য আজকের করণার এই দ্বিতীয় ঢেউ।
যেভাবে কটন আক্রান্তের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে তাতে সঠিকভাবে যদি করো না বিধি পালন না করা হয় তাহলে আগামী দিনে আক্রান্তের সংখ্যা কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে তা সময়ই বলে দেবে।
