প্রাচীন মিশরীয় শিল্পীরা প্রাথমিক শিল্প কাজের শিক্ষা নেওয়ার আগে মৃৎপাত্র অঙ্কন ও মৃৎপাত্রগুলি বিভিন্ন আকৃতিতে তৈরী করতেন।
শিল্পীরা চিত্রকলা আর মৃৎপাত্রের উপর বিভিন্ন চিত্র অঙ্কন করে নিজেদের শিল্পের আত্ম প্রকাশ করতেন। শিল্পীরা মৃৎপাত্রের গায়ে একই ধারার কাজ করতেন, মৃৎপাত্রের আকারগুলি গোলাকৃতি রেখা ছাড়া কোথাও বক্ররেখা ব্যবহার করতেন না। অধিকাংশ মৃৎপাত্রের রেখা ব্যবহার হতো জ্যামিতিক ত্রিভূজাকৃতির মতো। এই ত্রিভুজাকৃতির রেখাগুলির মাথাটি ভেঙ্গে দৃষ্টিকে পেছনের দিকে না দেখিয়ে নীচের দিকে দেখাতেন।
শিল্পীরা দেওয়াল চিত্রে যে রঙ ব্যবহার করতেন, সেই রঙ দিয়ে নক্সা করা মৃৎপাত্রের উপর রঙ করতেন। রঙগুলি নষ্ট যাতে না হয় সেই জন্য রাসায়নিক পদ্ধতিতে প্রস্তুত করা হতো। মৃৎপাত্রের গায়ে চিত্রগুলি দেখে বোঝা যায়, যে জ্যামিতিক রেখা আর নক্সাগুলির মধ্যে একটা সামঞ্জস্য থাকত। পাত্রের গায়ে মিশ্রিত রঙের ব্যবহার ছিল না। লাল রঙের ব্যবহার বেশী হতো। মিশরীয় শিল্পীদের প্রিয় রঙ লাল, তাই প্রতিটি পাত্রের গায়ে লাল রঙ ব্যবহার হতো।
সূত্র: চিত্রভুষণ
