ওয়েব ডেস্ক; ২০ এপ্রিল : ইউনিক আইডেন্টিফিকেশন অথরিটি অফ ইন্ডিয়া (ইউআইডিএআই)-এর অভিনব সাফল্য হিসেবে অন্তত ১০০টি সংস্থা সফলভাবে নাম তুলেছে অফলাইন ভেরিফিকেশন সিকিং এন্টিটিজ (ওভিএসইএস) হিসেবে। শুরু হওয়ার মাত্র তিন মাসের মধ্যেই এই সাফল্য। আধার অফলাইন মেকানিজম-এর মাধ্যমে নিরাপদ, অনুমতি ভিত্তিক এবং কাগজ বিহীন ভেরিফিকেশন সুনিশ্চিত করার ক্ষেত্রে বিশাল অগ্রগতির পরিচায়ক এই মাইলফলক। এতে পরিষেবা প্রদানকারী এবং সাধারণ মানুষ দুইয়েরই ক্ষমতায়ন ঘটবে।
এই প্রতিষ্ঠানগুলি বিভিন্ন ক্ষেত্রের – কেন্দ্র ও রাজ্যের সরকারি দপ্তর, ফিনটেক, ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট ও পরিষেবা প্রদানকারী সংস্থা, শিক্ষা ও পরীক্ষা সংক্রান্ত প্রতিষ্ঠান, আইডেন্টিটি ভেরিফিকেশন, ব্যাকগ্রাউন্ড ভেরিফিকেশন সংস্থা, ওয়ার্কফোর্স ভ্যালিডেশন কোম্পানি ইত্যাদি।
আধার অফলাইন ভেরিফিকেশন পরিমণ্ডলে এদের উপস্থিতি আশাকরা যায় পরিষেবা প্রদানের সময়ের উল্লেখযোগ্য উন্নতি করবে, কার্যসংক্রান্ত টানাপড়েন কমাবে ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক নথিপত্র যাচাই এবং কাগজে-কলমে যাচাই প্রক্রিয়ার কারণে হওয়া খরচ কমাবে।
এইসব ওভিএসই অংশীদারদের অনবোর্ড হওয়া প্রমাণ করে আধারযুক্ত, গোপনীয়তা রক্ষাই প্রথম এই নীতিতে ডিজিটাল যাচাই কাঠামোয় আস্থা বাড়ছে, যাতে ব্যবহারকারীর নিয়ন্ত্রণ অগ্রাধিকার পায়, পাশাপাশি ব্যবহারের সুবিধা নিশ্চিত হয়।
আধার অফলাইন ভেরিফিকেশন পদ্ধতি যেমন কিউআর কোড ভিত্তিক যাচাই এবং ডিজিটাল মাধ্যমে সই করা নথির নিরাপত্তায় জোর দেওয়ার মাধ্যমে এইসব সংস্থাগুলি এখন থেকে সক্ষম হবে ইউআইডিএআই-এর কেন্দ্রীয় তথ্য ভাণ্ডারের সঙ্গে তাৎক্ষণিক যোগাযোগ না রেখেও “শো, শেয়ার অ্যান্ড ভেরিফাই” পদ্ধতি অবলম্বন করতে।
এই ব্যবস্থার ফলে যাদের আধার নম্বর আছে তাদের ন্যূনতম প্রয়োজনীয় তথ্য দিতে হবে, ফলে গোপনীয়তা রক্ষা হবে। এই সরলীকৃত যাচাই প্রক্রিয়ায় জটিলতা কমবে এবং স্বচ্ছ ও অনুমতি ভিত্তিক আলাপচারিতার মাধ্যমের উপর আস্থা বাড়বে।
অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত ডিজিটাল পাবলিক ইনফ্রাকস্ট্রাকচার গঠনে ভারতের উদ্দেশ্য সাধিত হবে এর মাধ্যমে। পাশাপাশি সাধারণ মানুষের নিজস্ব তথ্যের উপর নিয়ন্ত্রণ বাড়বে, তিনি নিজে স্থির করতে পারবেন কাকে কতটা তথ্য তিনি দেবেন।
পরিষেবা প্রদানকারীদের সঙ্গে মানুষের যোগাযোগ সরলীকরণ করার মাধ্যমে “ইজ অফ লিভিং” বৃদ্ধিতে ইউআইডিআই-এর চলতি প্রয়াসের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ এই উদ্যোগ।
