ওয়েব ডেস্ক; ২৪ আগস্ট: মাদক পাচারের বিরুদ্ধে এক বড় সাফল্য। সেন্ট্রাল ব্যুরো অফ নারকোটিকস (সিবিএন)-এর মধ্যপ্রদেশ এবং উত্তরপ্রদেশ ইউনিটের আধিকারিকরা সাফল্যের সঙ্গে ‘অপারেশন ব্ল্যাক হক’ অভিযান চালালো। লক্ষ্ণৌ-এর কাছে একের পর এক অভিযানে উদ্ধার করলো ১৮.৬৪ কেজি অপরিশোধিত হেরোইন। আন্তঃরাজ্য পাচার চক্রের তিনজন মাথাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এই নিষিদ্ধ মাদক উত্তর-পূর্বাঞ্চলের রাজ্যগুলি থেকে পাচার করা হয়েছিল উত্তরপ্রদেশে বিক্রির জন্য।

সিবিএন-এর মধ্যপ্রদেশ ইউনিটের থেকে লক্ষ্ণৌতে উত্তর-পূর্বাঞ্চল থেকে পাচারের খবর পাওয়া যায়। তখন মধ্যপ্রদেশ এবং উত্তরপ্রদেশ ইউনিটের যৌথ দল সুলতানপুর-লক্ষ্ণৌ হাইওয়েতে ফাঁদ পাতে ২০-২১ অগাস্ট-এর মধ্য রাতে।

বিভিন্ন টোল প্লাজা থেকেই নজর রাখা হচ্ছিল। এর পর ২১ অগাস্ট লক্ষ্ণৌ-এর কাছে অসম রাজ্যের নথিভুক্ত হুন্ডাই ক্রেটা গাড়িটিকে আটকানো হয়। গাড়িটি খালি ছিল এবং আরোহীরা নিজেদের নির্দোষ বলে দাবি করে। আধিকারিকদের সন্দেহ গাঢ় হয় যখন জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, মাত্র ৫০০ কিলোমিটারের মধ্যে গাড়িটিতে চারবার জ্বালানি ভরা হয়েছে। জ্বালানির ট্যাঙ্কে টোকা মেরে তাঁরা বুঝতে পারেন ফাঁকা আছে। লক্ষ্ণৌ-এর সিবিএন অফিসে, মিস্ত্রির সাহায্যে গাড়িটি থেকে জ্বালানি ট্যাঙ্ক খুলে দেখতে পাওয়া যায়, ২৫টি জল নিরোধক প্যাকেটে ১৬.৪৬ কেজি অপরিশোধিত হেরোইন রাখা আছে বিশেষভাবে তৈরি একটি কমপার্টমেন্টে। দুই আরোহীকেই গ্রেপ্তার করা হয়।

অন্য একটি ঘটনায় সিবিএন-এর উত্তরপ্রদেশ ইউনিট গোয়েন্দা সূত্রে খবর পায় একটি বড় ট্রাক মাদক বয়ে নিয়ে যাচ্ছে শিলিগুড়ি-লক্ষ্ণৌ করিডোর দিয়ে। দীর্ঘক্ষণ নজরে রেখে সেটিকে আটকানো হয় বরাবাঁকির কাছে। এটিতেও ২.১৬ কেজি অপরিশোধিত হেরোইন রাখা ছিল বিশেষভাবে তৈরি একটি লুকনো চেম্বারে। একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

নার্কোটিক্স ড্রাগস অ্যান্ড সাইকোট্রপিক সাবস্ট্যান্সেস (এনডিপিএস) আইন ১৯৮৫-র কঠোর সংস্থান অনুযায়ী ওই তিন সন্দেহভাজনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। মাদক সহ গাড়িদুটি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। উত্তর-পূর্বাঞ্চলে থাকা সরবরাহকারীদের খোঁজ চলছে এবং গোটা সরবরাহ শৃঙ্খলটি যাতে ভেঙে দেওয়া যায় তার চেষ্টা চলছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *