ওয়েব ডেস্ক; ৮ মে : অণু, ক্ষুদ্র এং মাঝারি উদ্যোগ মন্ত্রকের ফ্ল্যাগশিপ কর্মসূচি প্রাইম মিনিস্টার্স এমপ্লয়মেন্ট জেনারেশন প্রোগ্রাম (পিএমইজিপি) রূপায়িত হয়েছে খাদি অ্যান্ড ভিলেজ ইন্ড্রাস্ট্রিজ কমিশন (কেভিআইসি) এর মাধ্যমে। এটি সারাদেশে উদ্যোগের প্রসার ঘটাতে এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে গুরুত্পূর্ণ ভূমিকা নিয়ে চলেছে।
পিএমইজিপি প্রত্যাষী উদ্যোগীদের সহায়তা করে অকৃষিক্ষেত্রে নতুন অণু সংস্থা গঠনে। তারজন্য ব্যাঙ্ক ঋণের ওপর মার্জিন মানি (এমএম) ভর্তুকি দেওয়া হয়। প্রথম প্রজন্মের উদ্যোগপতিদের স্বনির্ভর হওয়ার সুযোগ দেওয়াই এই কর্মসূচির প্রাথমিক লক্ষ্য। সেইসঙ্গে উৎপাদন ও পরিষেবা ক্ষেত্রে বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলে সুস্থায়ী জীবিকা নির্বাহ করায় সাহায্য করতেই এই কর্মসূচি।
পঞ্চদশ অর্থ কমিশনের মেয়াদকালে (২০২১-২০২২ অর্থবর্ষ থেকে ২০২৫-২০২৬ অর্থবর্ষ) পিএমইজিপি-তে কাজকর্মের পূর্ণ সাফল্য লক্ষ্য করা গেছে। অনুমোদিত ১৩,৫৫৪.৪২ কোটি বাজেট বরাদ্দের পুরোটাই খরচ হয়েছে এই কর্মসূচিতে। গঠিত হয়েছে ৪ লক্ষ ৩ হাজার ৭০৬টি অণু সংস্থা যা লক্ষ্যের থেকে বেশি।
এই কর্মসূচিতে মোটামুটি ৩৬.৩৩ লক্ষ ব্যক্তির জন্য সুস্থায়ী কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হয়েছে।
এই কর্মসূচিতে সাহায্যপ্রাপ্ত অণু উদ্যোগের প্রায় ৪০ শতাংশ মহিলাদের। মোট মার্জিন মানি ভর্তুকির প্রায় ৪৫ শতাংশ দেওয়া হয়েছে মহিলা উদ্যোগপতিদের। সুবিধাপ্রাপ্তদের মধ্যে প্রায় ৫৪ শতাংশ এসসি/এসটি/ওবিসি শ্রেণীর। পিএমইজিপি-তে গঠিত সংস্থাগুলির প্রায় ৮০ শতাংশই গ্রামাঞ্চলে অবস্থিত।
