ওয়েব ডেস্ক ; ২৯ মে : ভারত সরকার স্পষ্টভাবে জানাতে চায় যে দেশে সাধারণ মানুষ এবং শিল্পমহলের চাহিদা পূরণের জন্য পর্যাপ্ত ডিজেল ও পেট্রোল মজুত রয়েছে। শোধন ক্ষমতার দিক থেকে ভারতের স্থান বিশ্বে চতুর্থ। দেশে ২২টি তেল শোধনাগার কাজ করে চলেছে – যাদের মোট বার্ষিক শোধন ক্ষমতা ২৫৮.১ মিলিয়ন টন। ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে দেশে জ্বালানি তেলের চাহিদা ছিল ২৪৩.২ মিলিয়ন টন। ঐ সময়ে ভারত থেকে ৬১.৫ মিলিয়ন টন পেট্রোপণ্য রপ্তানি হয়েছে।
বিভিন্ন রাষ্ট্রায়ত্ত তেল বিপণন সংস্থা, বিভিন্ন রাজ্য সরকার এবং শিল্পমহলের সঙ্গে সমন্বয় রেখে কাজ করা হচ্ছে বলে পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রী শ্রী হরদীপ সিং পুরী জানিয়েছেন। জ্বালানি তেলের চড়া মূল্যের প্রভাব যাতে সাধারণ মানুষের ওপর না পড়ে তা নিশ্চিত করতে রাষ্ট্রায়ত্ত তেল বিপণন সংস্থাগুলি দৈনিক ৫৫০ কোটি টাকা ক্ষতি স্বীকার করছে। কালোবাজারি ও মজুতদারি রুখতে চলছে জোরদার অভিযান। শিল্পমহলকে সাধারণ মানুষের পক্ষে হানিকর কোনরকম তৎপরতা থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে।
সরকার পরিস্থিতির ওপর সতর্ক নজর রেখে চলেছে। ভুয়ো খবরে কান না দিতে এবং তথ্যের জন্য শুধুমাত্র সরকারি সূত্রের ওপর নির্ভর করতে সাধারণ মানুষকে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
সূত্র : পি আই বি
