ওয়েব ডেস্ক; ২৮ মে: কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক ২০২২-২৩ অর্থবর্ষে স্বাস্থ্য সংক্রান্ত জাতীয় স্তরের বিভিন্ন তথ্য প্রকাশ করেছে। ন্যাশনাল হেলথ অ্যাকাউন্টস টেকনিক্যাল সেক্রেটারিয়েট, ন্যাশনাল হেলথ সিস্টেমস রিসোর্স সেন্টার, স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রক ২০১১ সালের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা সংক্রান্ত সিস্টেম অফ হেলথ অ্যাকাউন্টস ব্যবহার করে এই তথ্য প্রকাশ করেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০১৩-১৪ সাল থেকে স্বাস্থ্যখাতে সরকারি ব্যয় বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০১৩-১৪ সালে দেশের মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদনের ১.১৫ শতাংশ স্বাস্থ্যখাতে ব্যয় হয়েছিল। ২০২২-২৩ অর্থবর্ষে তা বৃদ্ধি পেয়ে হয়েছে ১.৪৩ শতাংশ। একইভাবে, ২০১৩-১৪ অর্থবর্ষে মোট সরকারি ব্যয়ের ৩.৭৮ শতাংশ অর্থ ব্যয় হত স্বাস্থ্যখাতে। সেখানে ২০২২-২৩ অর্থবর্ষে তা বৃদ্ধি পেয়ে ৪.৮৯ শতাংশে পৌঁছয়। সরকার নাগরিকদের মাথাপিছু স্বাস্থ্যক্ষেত্রে ব্যয় ২০১৩-১৪ অর্থবর্ষে ১,০৪২ টাকা করেছে। সেখানে ২০২২-২৩ অর্থবর্ষে তা বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ২,৭৮৬ টাকা।

দেশের স্বাস্থ্যক্ষেত্রের মোট ব্যয়ের হিসেব অনুসারে ব্যক্তিবিশেষের অর্থ সাশ্রয় হয়েছে। ২০১৩-১৪ অর্থবর্ষে যেখানে স্বাস্থ্য পরিষেবার জন্য ব্যয় হত ৬৪.২ শতাংশ, ২০২২-২৩ অর্থবর্ষে তা কমে দাঁড়িয়েছে ৪৩.৪ শতাংশ। সামাজিক সুরক্ষা খাতে সরকার যে অর্থ ব্যয় করে সেখানে স্বাস্থ্যক্ষেত্রে ব্যয়বরাদ্দ ক্রমশ বৃদ্ধি পেয়েছে। এর মধ্য দিয়ে স্বাস্থ্য পরিষেবা প্রদানে সরকারের অঙ্গীকার প্রতিফলিত হয়। আয়ুষ্মান ভারত প্রধানমন্ত্রী জাতীয় আরোগ্য যোজনা, সরকারি কর্মীদের চিকিৎসা সংক্রান্ত অর্থ প্রদান এবং স্বাস্থ্যক্ষেত্রের জন্য বিভিন্ন সামাজিক বীমা প্রকল্পে সরকার আগের থেকে বেশি অর্থ ব্যয় করছে। ২০১৩-১৪ অর্থবর্ষে সামাজিক সুরক্ষা খাতের আওতায় স্বাস্থ্যক্ষেত্রে ব্যয় করা হত ৬ শতাংশ অর্থ। ২০২২-২৩ অর্থবর্ষে তা বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ৯.৯ শতাংশ। এক্ষেত্রে বেসরকারি স্বাস্থ্যবীমা সংস্থাগুলিতেও সরকারের ব্যয় বেড়েছে। ২০১৩-১৪ অর্থবর্ষে ৩.৪ শতাংশ ব্যয় করা হত। ২০২২-২৩ অর্থবর্ষে তা বৃদ্ধি পেয়ে ৯.২ শতাংশে পৌঁছেছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *