ওয়েব ডেস্ক ; ৭ মে : পরিসংখ্যান ও কর্মসূচি রূপায়ণ মন্ত্রক ২০২৫-এর জানুয়ারি থেকে ২০২৫-এর ডিসেম্বর পর্যন্ত অ্যানুয়াল সার্ভে অফ আন-ইনকর্পোরেটেড সেক্টর এন্টারপ্রাইজেস (এএসইউএসই)-এর ফলাফল প্রকাশ করেছে।

এএসইউএসই ২০২৩-২৪-এর তুলনায় এএসইউএসই ২০২৫-এ অ-নথিভুক্ত অ-কৃষি ক্ষেত্রে সব গুরুত্বপূর্ণ মানদণ্ডে উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি ঘটেছে। সংস্থার সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৭.৯২ কোটি। অন্যান্য পরিষেবা ক্ষেত্রে বৃদ্ধি ঘটেছে ১০.২৯ শতাংশ। উৎপাদন ক্ষেত্রে বৃদ্ধি ঘটেছে ৬.৪৮ শতাংশ। ব্যবসা ক্ষেত্রে বৃদ্ধি ঘটেছে ৬.১৮ শতাংশ। এই ক্ষেত্রের প্রায় অর্ধেক সংস্থা খুচরো ব্যবসায় অথবা পোশাক তৈরি এবং সামাজিক, গোষ্ঠী ও ব্যক্তিগত পরিষেবাভিত্তিক কাজে যুক্ত। গ্রামীণ এবং শহরাঞ্চল মিলিয়ে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক এই ধরনের সংস্থা রয়েছে উত্তরপ্রদেশে। এর পরেই পশ্চিমবঙ্গে এবং মহারাষ্ট্রে। উপরোক্ত সময়কালের মধ্যে গ্রস ভ্যালু অ্যাডেড (জিভিএ) বর্তমান বাজারদর অনুযায়ী বেড়েছে ১০.৮৭ শতাংশ।

অ-নথিভুক্ত অ-কৃষি ক্ষেত্রে ২০২৫-এ কর্মসংস্থান হয়েছে প্রায় ১২.৮১ কোটি কর্মীর। এর মধ্যে এক তৃতীয়াংশের বেশি কর্মী উত্তরপ্রদেশ, পশ্চিমবঙ্গ এবং মহারাষ্ট্রের। এর মধ্যে মহিলা কর্মীর সংখ্যা প্রায় ২৯ শতাংশ। মহিলা কর্মীদের মধ্যে প্রায় ২২ শতাংশ যুক্ত পোশাক তৈরির কাজে। উৎপাদন ক্ষেত্রে ৬০ শতাংশের বেশি সংস্থার মাথায় আছেন মহিলা মালিক।

প্রতি অ-নথিভুক্ত অ-কৃষি সংস্থার গড় স্থায়ী সম্পদের পরিমাণ এএসইউএসই ২০২৫-এ বেড়ে হয়েছে ৩ লক্ষ ৪২ হাজার ৪২ টাকা। নথিভুক্তির সংখ্যা সামান্য হলেও বেড়েছে। ব্যবসার কারণে ইন্টারনেট ব্যবহার বৃদ্ধি পেয়েছে গ্রামাঞ্চলে ২০২৩-২৪-এ ১৭.৯৪% থেকে ২০২৫-এ ৩১.০৬% এবং শহরাঞ্চলে ৩৭.০১% থেকে বেড়ে হয়েছে ৪৮.৯৪%।

আন্দামান ও নিকোবর ছাড়া সারা ভারতের গ্রাম ও শহরাঞ্চল নিয়ে সমীক্ষা করা হয়েছে। উৎপাদন, ব্যবসা ও অন্যান্য পরিষেবা ক্ষেত্রে অ-নথিভুক্ত অ-কৃষি সংস্থার হিসাব ধরা হয়েছে সমীক্ষায়। এএসইউএসই ২০২৫-এ তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে মোট ৬ লক্ষ ৭০ হাজার ২৮৯টি সংস্থার। এর মধ্যে গ্রামাঞ্চলে ২ লক্ষ ৯৪ হাজার ১৪৪ এবং শহরাঞ্চলে ৩ লক্ষ ৭৬ হাজার ১৪৫।