ধ্রুব দে

প্রথম পর্বের পর…..

অশোকের সম্ভব হয়নি। প্রথম প্রথম চেষ্টা করে দেখেছে, বড্ড হ্যাপা। তাই বাসা নিতে হল। বিয়ের আগে হপ্তায় হপ্তায় বাড়ি যেত, বিয়ের পরও গেছে। মিতুর জন্মের পর যাতায়াত অনিয়মিত হয়েছে।

দুধের শিশু মিতুর পক্ষে একবেলা-দুবেলার জন্য যাওয়া-আসার ধকল সহ্য হয় না। এ ধকল কলিও সম্ভবত নিতে পারে না। মিতুর দোহাই দিয়ে কাটিয়ে দেয়। তবে বেশি দিনের ছুটির সময় কোনো ওজর খাটেনা। যেতেই হয়। কলি কি অশোকের মা-বাবার ব্যবহারে সিঁটিয়ে গেছে? বউ হিসেবে কলি কোনো দিক থেকেই অপছন্দের নয়। দেখতে শুনতে ভালো। লেখাপড়া খুব না হলেও শিখেছে। তখন গ্র্যাজুয়েট হওয়ার জন্য প্রস্তুতিও নিচ্ছে।

শ্রদ্ধা-ভক্তিরও কমতি নেই। তবু ঠিক ঠিক তারে সুর ওঠে না। তা কেন হয়! ওদের যত রাগ অভিমান অশোকের প্রতিই হওয়া উচিত। কলি কোনো দোষ করেনি। অশোক বোঝে যুক্তি দিয়ে, কারণ মেনে সংসারে সব হয় না। চাকা ঘোরে না। দূরত্ব ঘোচে না।

বিয়ের কথা পাকা হলে বিলাস মজা করে বলেছিল, বিয়েটা একা একা সেরে ফেলছিস! সাধ ছিল ছাদনাতলায় একসঙ্গে যাব।

ক্রমশ…….