ডা চন্দ্রগুপ্ত

১ম পর্বের পর…..

ভাবলাম যদি এখন বাড়িতে না গিয়ে রবীন্দ্র সরোবরে মেট্রোতে নেমে আরেকটা ব্যক্তিগত কাজ করে নিতে পারি তবে কাল অফিস ফেরত অথবা অফিস যাওয়ার আগে রবীন্দ্র সরোবরে আর আসতে হবে না। আজ আমার গৃহ দেবতাকেও সন্তুষ্ট করা হবে। কারণ রবীন্দ্র সরোবরের কাজটা গৃহদেবতার আদেশেই করতে হচ্ছে। প্রায় রোজই আমি কোন না কোন কাজ ভুলে যাবার ফলে বকাঝকা খাই। বরং আজ একটু রিলাক্স মুড়ে বাড়িতে ঢোকা যাবে।

করোনা পরবর্তী সময়ে এখন অধিকাংশ মেট্রো এয়ারকন্ডিশন। টোকেন ব্যবস্থা না থাকার ফলে যাত্রী সংখ্যাও অনেক কম। স্মার্ট কার্ড ব্যবহার করে ফাঁকা ট্রেনে উঠে সিনিয়র সিটিজেন সিটের সামনে গিয়ে দাঁড়ালাম। এখানে সাধারণত ফাঁকা পাওয়া যায়। করোনার ভয়ে আজকাল বেশি বয়সের মানুষরা বের হচ্ছে না। আর অতি সতর্ক পঞ্চাশোর্ধ মানুষরা রেপিডো বা নিজেদের টু হুইলার নিয়ে যাতায়াত করছে। ফলে আমাদের ছয় সাত জনের দলটা এখানেই আড্ডা গাড়ে। আজকের ট্রেন জার্নিটা ভালো লাগছে না, একেবারে একা। ছটা পঞ্চাশের ট্রেনটা মিস করার

ফলে এটা হয়েছে। যদিও ট্রেনের যাত্রীদের বহুদিন পর ভালো করে লক্ষ্য করার সুযোগ পেলাম। পথচলতি অথবা বাসে-ট্রামে জার্নি করার সময় সহযাত্রীদের চলাফেরা, কথাবার্তা গুলো দেখতে বা শুনতে ভালো লাগে। একটা নতুনত্ব খুঁজে পাওয়া যায়।

ক্রমশ…..