প্রিয়ম্বদা প্রিয়া

প্রথম পর্বের পর…..

কোম্পানির কত পার্সেন্ট শেয়ার ওর নামে আর কত পার্সেন্ট অঞ্জনা রায়ের তা মনে করাবার জন্য তাকে সত্যিই ধন্যবাদ জানান উচিত অরিন্দমের। একবার প্রীতির দিকে তাকাল…‘কোথায় যাবে বললে না তো!” প্রীতি গাড়ির জানলা দিয়ে দোকানপাট রাস্তা ঘাট দেখছিল। ওর দিকে ঘুরে তাকাল… ‘গড়িয়াতে ড.সুরেশ দত্তের চেম্বার।’

…. আমিও ঐ দিকেই যাচ্ছি তা হঠাৎ ডাক্তার, সব ঠিক আছে!’

…‘কদিন ধরে অ্যাসিডিটিটা খুব বেড়েছে। তাই যাচ্ছি চেক-আপে।’ গিয়ার চেঞ্জ করে রাস্তার মোড়ে গাড়ি বাঁক নিল। প্রীতির ফোন বাজছে। ও ফোন কানে ধরল…‘বল মৈত্রী’ শুনে কান খাড়া হল অরিন্দমের। দুজনের মাঝে কথা চলছে কিছুই ধরতে পারছে না অরিন্দম। কোন স্কুলের বিষয় কথা হচ্ছে। কার স্কুল! মৈত্রী কি কোনো স্কুলে চাকরি করে! এখনো কি বিয়ে করে নি! প্রীতি ফোন রাখতে নিজের কৌতুহল আর মনের ভিতর লুকিয়ে রাখতে পারবল না। জিগ্যেস করেই ফেলল… “মৈত্রী ভালো আছে?”

…‘খুউউউবইইই ভালো আছে! চওড়া ভাবে জানাল প্রীতি!’ অরিন্দমের মনে হল এই খুব এর উপর এতটা জোর দেওয়ার পিছনে ওকে হেও করার ইঙ্গিত দিল প্রীতি। প্রীতির চেম্বার চলে এসেছে ও গাড়ি থেকে নেমে সামান্য ঝুঁকল… “থ্যাংকস!’ অরিন্দম বলল… “মৈত্রী কি করছে এখন?’

ক্রমশ…..