ডা চন্দ্রগুপ্ত
তৃতীয় পর্বের পর…….
সূর্য উদয়ের পথে পর্ব ৩
হাফ ছেড়ে বাঁচল তখনকার মতো। জোরে সাইকেল
চালিয়ে দিল, বাড়ির দিকে। রাতে স্ত্রী নমিতার পাশে শুয়ে ঘটনাটি বলে ভারমুক্ত হল বিনোদ। চরম দুশ্চিন্তায় বিনোদের মুখ চিপে ধরল নমিতা। ‘খবরদার। কারো কথা কাউকে বলবে না। নিজের ধান্দাটা ওরা সবার আগে বোঝে। থার্মাল থেকে আমাদের বাড়িতে লোক আসাও জঙ্গল ভাইরা ভালোভাবে দেখছে না গ্রামে ফিসফাস চলছে,
নমিতা বকে যাচ্ছে এক নাগাড়ে। আর বিনোদ ভেবে যাচ্ছে, কত কষ্ট করে সংসারটাকে একটু সাচ্ছন্দের দিকে আনতে পেরেছে। স্কুলে পিওনের চাকরিটা স্থায়ী না হলে সামনে এগোনোর রাস্তাই ছিল না। মহুয়া এনে, মদ বেঁচে জীবন থেকে নিজে মুক্তি পেলেও, মা এখনো অভ্যেস বশত সেটা চালিয়ে যাচ্ছে। ছেলেটা এবার দশ ক্লাসের পরীক্ষা দেবে। আশাতীত এ পাওনা বিনোদের। পাশে শুয়ে থাকা নমিতা বিনোদের দিকে পাশ ফিরে আলতো করে জড়িয়ে ধরল, ফিস ফিস করে বলল, সেই কবে আমাকে বলেছিলে যে একটা পায়ের তোড়া বানিয়ে দেবে, দিলে না তো! বিনোদের মনে পড়ল, চাকরীতে স্থায়ী হয়ে যাবার পরে নমিতাকে এমনটাই বলেছিল।
ক্রমশ…….
