ওয়েব ডেস্ক; ২৪ আগস্ট: ব্যবসার স্বাচ্ছন্দ্য বিধানে, আইনি বাধ্যবাধকতাকে সরলীকৃত করতে সেইসঙ্গে দেশে সময়মতো আধুনিক ও উদ্ভাবনী চিকিৎসা প্রযুক্তির সুবিধা পেতে সরকার চিকিৎসা সরঞ্জাম ক্ষেত্রে মূল আইনগত সংস্কার ঘটিয়েছে।
চিকিৎসা সরঞ্জাম আইন, ২০১৭-তে তিনটি মূল সংশোধনকে অন্তর্ভুক্ত করা করেছে। এগুলি হ’ল মেডিকেল সরঞ্জামের আউটসোর্সিং জীবাণুমুক্তকরণ সম্পর্কিত বিধানগুলির সরলীকরণ, অভিন্ন পরীক্ষা ফি চালু এবং ক্লিনিকাল তদন্তের ছাড়পত্রের ক্ষেত্রে ইউরোপীয় ইউনিয়নকে অন্তর্ভুক্ত করা। সংশোধনী সংস্থানে চিকিৎসা সরঞ্জাম আইন, ২০১৭’র অধীন আউটসোর্সিং জীবাণুমুক্তকরণে সুবিধায় ব্যবহারকারী প্রস্তুতকারকদের এখন সেই সরঞ্জামের লেভেলে সেই লাইসেন্সপ্রাপ্ত সুবিধার লাইসেন্স নাম্বার উল্লেখ করতে হবে।
চিকিৎসা সরঞ্জাম আইন, ২০১৭ বিধিমালায় নবম তপশিলে টেস্টিং ল্যাবরেটরিগুলিতে অভিন্ন চার্জের – এর প্রস্তাব করা হয়েছে। এতে সমস্ত ল্যাবরেটরিতে চার্জের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা বিধান করা যাবে।
আরেকটি উল্লেখযোগ্য সংস্কার হ’ল – চিকিৎসা সরঞ্জাম আইন, ২০১৭’র বিধি ৬৩ সংশোধন করে আন্তর্জাতিক নিয়ন্ত্রক তালিকার মধ্যে ইউরোপীয় ইউনিয়নকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। বর্তমানে এই সংস্থানের অন্তর্ভুক্ত – মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা ও জাপান। ইউরোপীয় ইউনিয়নকে অন্তর্ভুক্ত করায় ইউরোপীয় ইউনিয়নে অনুমোদিত কিছু চিকিৎসা সরঞ্জামের আলাদা করে ক্লিনিকাল তদন্তের প্রয়োজন হবে না এবং ভারত সরাসরি এইসব আধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জামের সুযোগ নিতে পারবে। এক্ষেত্রে আইনি বোঝা হ্রাস করা হ’ল এবং আমদানীকারী ও নির্মাতারা উপকৃত হবেন।
চিকিৎসা সরঞ্জাম আইনি পরিমণ্ডলকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে এই সংশোধনী চিহ্নিত হয়ে থাকবে। সরঞ্জামের সর্বোচ্চ গুণগতমান বজায় রাখার পাশাপাশি, নিরাপত্তা ও সেগুলির কার্যকারিতার গুণগতমানও বজায় রাখা সম্ভব হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *