ওয়েব ডেস্ক; ০৭ সেপ্টেম্বর : বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি এবং ভূ-বিজ্ঞান মন্ত্রকের স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী, কর্মীবর্গ, জন-অভিযোগ ও পেনশন মন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী, পরমাণু শক্তি দফতর এবং মহাকাশ দফতরের প্রতিমন্ত্রী ড. জিতেন্দ্র সিং ভারতের দ্রুত সম্প্রসারিত স্টার্টআপ ব্যবস্থাকে মহানগরের গণ্ডির বাইরে নিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। দেশীয় প্রযুক্তির গবেষণাগার থেকে বাজারে পৌঁছনোর যাত্রা ত্বরান্বিত করতে বিজ্ঞান, স্টার্টআপ ও শিল্পের মধ্যে আরও শক্তিশালী যোগসূত্র তৈরির উপরও তিনি জোর দেন।

কলকাতায় ষষ্ঠ RISE Conclave 2026-এর উদ্বোধনী অধিবেশনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে ড. জিতেন্দ্র সিং বলেন, টিয়ার-২ ও টিয়ার-৩ শহরগুলির উদ্ভাবনী সম্ভাবনাকে স্বীকৃতি দেওয়ার প্রয়োজন ক্রমশ বাড়ছে। তিনি উল্লেখ করেন, ভারতের ৫০ থেকে ৬০ শতাংশেরও বেশি স্টার্টআপ মহানগরগুলির বাইরে রয়েছে। ছোট শহরের তরুণ উদ্ভাবকেরা ক্রমশ বড় শহরের সমকক্ষদের সঙ্গে পাল্লা দিচ্ছেন। অনেক ক্ষেত্রে তাঁরা তাঁদের ছাপিয়েও যাচ্ছেন। তাই প্রতিষ্ঠিত প্রযুক্তি কেন্দ্রগুলিতে তাঁদের আসার অপেক্ষা না করে বৈজ্ঞানিক প্রতিষ্ঠান ও উদ্ভাবনী ব্যবস্থাকে তাঁদের কাছে পৌঁছতে হবে বলে তিনি জানান।

মন্ত্রী বলেন, RISE Conclave ঠিক এই ধরনের একটি মঞ্চ তৈরি করেছে। এখানে স্টার্টআপ, শিল্পের প্রতিনিধি, সম্ভাব্য মেন্টর, গবেষক ও সরকারি প্রতিনিধিরা এক ছাদের নীচে আসছেন। বৈজ্ঞানিক গবেষণা যাতে শুধু গবেষণাগারের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থাকে, বরং উদ্যোগ, প্রযুক্তি হস্তান্তর, বাণিজ্যিকীকরণ ও বৃহত্তর সামাজিক প্রয়োগের দিকে এগিয়ে যায়, তা নিশ্চিত করতে এই সমন্বয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে তিনি জানান।

ড. জিতেন্দ্র সিং বলেন, RISE Conclave-এর স্থান হিসাবে কলকাতাকে বেছে নেওয়ার বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে। ভারতের বিজ্ঞান ও শিক্ষা ক্ষেত্রে এই শহরের ঐতিহাসিক অবদান রয়েছে। বাংলার দীর্ঘদিনের বৈজ্ঞানিক উৎকর্ষ এবং প্রতিষ্ঠান নির্মাণের ঐতিহ্যের কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, কলকাতা এমন বহু বিশিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে গড়ে তুলেছে, যাঁরা ভারতের বৌদ্ধিক ও বৈজ্ঞানিক অগ্রগতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন।

ড. বিধানচন্দ্র রায়, অধ্যাপক ইউ. এন. ব্রহ্মচারী, স্যার সি. ভি. রমন এবং ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের মতো বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বদের ঐতিহ্যের কথা উল্লেখ করে ড. জিতেন্দ্র সিং বলেন, এই অসাধারণ ঐতিহ্যের মর্যাদা রক্ষা করা এবং কলকাতাকে ফের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির উৎকর্ষের একটি প্রধান কেন্দ্র হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করতে বর্তমান প্রজন্মের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব রয়েছে। শহরের বৌদ্ধিক শক্তি ও শিক্ষাক্ষেত্রে দক্ষতা তার ঐতিহাসিক বৈজ্ঞানিক ঐতিহ্যের সঙ্গে নতুন প্রজন্মের অগ্রণী প্রযুক্তি ও উদ্যোগকে যুক্ত করার শক্তিশালী ভিত্তি তৈরি করে বলেও তিনি জানান।

ড. জিতেন্দ্র সিং বলেন, সরকারের Whole-of-Government পদ্ধতি ক্রমশ Whole-of-Science পদ্ধতিতে রূপান্তরিত হচ্ছে। এর সাহায্যে বিভিন্ন মন্ত্রক, দফতর, গবেষণা প্রতিষ্ঠান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও শিল্পকে একসঙ্গে আনা হচ্ছে।

CSIR-এর গবেষণাগারগুলির সঙ্গে IIT খড়গপুর, IISER কলকাতা, NIT দুর্গাপুর ও Atal Tinkering Labs-এর মতো প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি, বায়োটেকনোলজি দফতর, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি দফতর, পরমাণু শক্তি দফতর এবং ভূ-বিজ্ঞান মন্ত্রকের অধীন নেটওয়ার্কগুলির সমন্বয় পূর্ব ভারতে একটি শক্তিশালী জ্ঞান করিডর তৈরি করতে পারে বলে তিনি জানান।

মন্ত্রী বলেন, সাম্প্রতিক বছরগুলিতে ভারত এমন কিছু ক্ষেত্রে বেসরকারি ক্ষেত্রের অংশগ্রহণের নতুন সুযোগ তৈরি করেছে, যে ক্ষেত্রগুলি আগে মূলত শিল্পের জন্য বন্ধ ছিল। এর মধ্যে রয়েছে মহাকাশ, পরমাণু শক্তি ও বায়োটেকনোলজি। এই ক্ষেত্রগুলি উন্মুক্ত করার ফলে জাতীয় প্রযুক্তি উন্নয়নে স্টার্টআপ ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলির অংশগ্রহণের জন্য নতুন পরিবেশ তৈরি হয়েছে বলে তিনি জানান।

ড. জিতেন্দ্র সিং ₹১ লক্ষ কোটি টাকার Research, Development and Innovation (RDI) Fund প্রতিষ্ঠার সরকারি সিদ্ধান্তের কথাও উল্লেখ করেন। উচ্চ ঝুঁকি ও উচ্চ সম্ভাবনাময় গবেষণায় উৎসাহ দেওয়া এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, স্টার্টআপ ও শিল্পের মধ্যে আরও শক্তিশালী অংশীদারিত্ব গড়ে তুলতে Anusandhan National Research Foundation (ANRF)-এর ভূমিকাও তিনি তুলে ধরেন।

ভারতীয় গবেষণাগার থেকে উদ্ভূত দেশীয় প্রযুক্তি গ্রহণ, সহায়তা, অর্থায়ন ও বাণিজ্যিকীকরণের জন্য শিল্পকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, বৈজ্ঞানিক প্রকল্প ও স্টার্টআপকে বিচ্ছিন্ন ভাবে টিকিয়ে রাখা সম্ভব নয়। ব্যবসা ও শিল্পের সঙ্গে পারস্পরিক লাভজনক সম্পর্ক প্রয়োজন। প্রযুক্তিকে বৃহৎ পরিসরে বাজারে পৌঁছে দিতে হলে শিল্পকে তার স্পষ্ট বাণিজ্যিক মূল্য বুঝতে হবে এবং উদ্ভাবন প্রক্রিয়ায় সক্রিয় অংশীদার হতে হবে।

ড. জিতেন্দ্র সিং আরও বলেন, RISE Conclave-এর ফলাফল যেন একটি মাত্র অনুষ্ঠানের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থাকে। এগুলিকে বৃহত্তর ও ধারাবাহিক উদ্ভাবনী ব্যবস্থার অংশ করে তুলতে হবে। এই ধরনের মঞ্চ থেকে উঠে আসা জ্ঞান, প্রযুক্তি ও সুযোগকে মানুষের কাছে বোধগম্য ভাষা ও মাধ্যমে সমাজের বৃহত্তর অংশের কাছে পৌঁছে দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। এর ফলে RISE-এর একটি সংস্করণের অভিজ্ঞতা পরবর্তী সংস্করণে কাজে লাগানো সম্ভব হবে বলেও তিনি জানান।

“Driving Innovation & Entrepreneurship for Viksit Bharat 2047” থিমে আয়োজিত ৬ষ্ঠ RISE Conclave 2026 ৬ ও ৭ সেপ্টেম্বর কলকাতার সল্টলেকে CSIR-Indian Institute of Chemical Biology (CSIR-IICB)-তে অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

CSIR-CGCRI, CSIR-IICB, CSIR-CMERI এবং CSIR-IMMT-এর যৌথ উদ্যোগে এই সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে। বৈজ্ঞানিক গবেষণা, উদ্যোগ এবং শিল্পক্ষেত্রে প্রয়োগের মধ্যে সংযোগ আরও শক্তিশালী করতে এখানে স্টার্টআপ, শিল্প, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, গবেষক, উদ্ভাবক, বিনিয়োগকারী, ইনকিউবেটর, MSME এবং নীতিনির্ধারকদের এক মঞ্চে আনা হয়েছে।

উদ্বোধনী অধিবেশনে বক্তব্য রাখেন CSIR-এর মহানির্দেশক এবং Department of Scientific and Industrial Research (DSIR)-এর সচিব ড. এন. কালাইসেলভি। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের Department of Health and Family Welfare-এর মন্ত্রী-ইন-চার্জ ড. শরদ্বত মুখোপাধ্যায় ছিলেন সম্মানিত অতিথি। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন CSIR-IICB-এর অধিকর্তা অধ্যাপক বিভা ট্যান্ডন, CSIR-IMMT-এর অধিকর্তা ড. রামানুজ নারায়ণ, CSIR-CGCRI-এর অধিকর্তা অধ্যাপক বিক্রমজিৎ বসু, CSIR-CMERI-এর অধিকর্তা ড. নরেশচন্দ্র মুর্মু, পদস্থ বিজ্ঞানী, গবেষক, স্টার্টআপ প্রতিষ্ঠাতা, শিল্পের প্রতিনিধি এবং অন্যান্য অংশীজন।

কলকাতা সংস্করণটি RISE Conclave-এর ষষ্ঠ সংস্করণ। এর আগে মুম্বই, লক্ষ্ণৌ, হায়দরাবাদ, চেন্নাই ও বেঙ্গালুরুতে এই সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে। জাতীয় RISE মঞ্চকে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে নিয়ে যাওয়ার উদ্দেশ্য হল এর পরিধি বাড়ানো এবং বিভিন্ন অঞ্চলের বৈজ্ঞানিক সক্ষমতার সঙ্গে উদ্ভাবক ও উদ্যোগপতিদের সংযোগ তৈরি করা বলে ড. জিতেন্দ্র সিং জানান।

সম্মেলনের কেন্দ্রে রয়েছে 4M Framework, অর্থাৎ Minerals, Medicine, Materials and Machines। অংশগ্রহণকারী চারটি CSIR গবেষণাগারের পরস্পর পরিপূরক সক্ষমতার প্রতিনিধিত্ব করে এই চারটি ক্ষেত্র।

অংশগ্রহণকারী CSIR গবেষণাগারগুলি প্রযুক্তি হস্তান্তর, লাইসেন্সিং, বাণিজ্যিকীকরণ এবং বৃহত্তর শিল্পক্ষেত্রে প্রয়োগের সম্ভাবনাযুক্ত দেশীয় প্রযুক্তি ও পণ্যও প্রদর্শন করেছে। উন্নত উপাদান, স্বাস্থ্য পরিষেবা ও যন্ত্রপাতি থেকে শুরু করে স্যানিটেশন বা স্বাস্থ্যবিধি, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং সুস্থায়ী ইঞ্জিনিয়ারিং সমাধান পর্যন্ত বিভিন্ন ক্ষেত্রে এই প্রযুক্তিগুলি বিস্তৃত। শিল্প ও সামাজিক, উভয় ক্ষেত্রের প্রয়োজন মেটাতে দেশীয় গবেষণার সম্ভাবনাও এর মাধ্যমে তুলে ধরা হয়েছে।

স্টার্টআপ প্রদর্শনী ও S&T প্যাভিলিয়নে স্টার্টআপ এবং উদ্যোগপতিদের তাঁদের প্রযুক্তি ও পণ্য প্রদর্শনের জন্য একটি অভিন্ন মঞ্চ দেওয়া হয়। তাঁরা গবেষক, শিল্পের প্রতিনিধি, বিনিয়োগকারী ও বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে মতবিনিময়ের সুযোগ পান।

সম্মেলনে প্রায় ১৫০টি স্টার্টআপ অংশ নিয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৩০০ জন স্টার্টআপ প্রতিনিধি এবং ইনকিউবেশন ও উদ্ভাবন কেন্দ্রের আরও ১৫০ জন প্রতিনিধি বৃহত্তর অংশগ্রহণের অংশ হিসাবে উপস্থিত রয়েছেন।

প্রযুক্তিগত কর্মসূচিতে আটটি প্যানেল আলোচনা রয়েছে। এতে ৬৭ জন প্যানেলিস্ট অংশ নিচ্ছেন। আলোচনার বিষয়গুলির মধ্যে রয়েছে ওষুধ আবিষ্কার ও সাশ্রয়ী স্বাস্থ্য পরিষেবা; MSME-এর জন্য উৎপাদন প্রযুক্তি, উদ্ভাবন ও R&D; উপাদাননির্ভর উদ্ভাবন; ইস্পাত ও অ্যালুমিনিয়াম ক্ষেত্রে কার্বন নিঃসরণ হ্রাস; গুরুত্বপূর্ণ খনিজ ও নতুন উপাদান; বিজ্ঞান যোগাযোগ; বিজ্ঞাননির্ভর স্টার্টআপের সুযোগ; এবং ঐতিহ্যগত জ্ঞান ও আধুনিক উদ্ভাবন।

“The Lab-to-Market Leap: Building Ventures from Breakthrough Research” শীর্ষক বিশেষ বক্তৃতায় যুগান্তকারী গবেষণাকে উদ্যোগ এবং বাজারমুখী সুযোগে রূপান্তরের উপর আরও জোর দেওয়া হয়েছে।

প্রযুক্তির বাণিজ্যিকীকরণের উপর সম্মেলনের গুরুত্ব বাস্তব ফলাফলেও প্রতিফলিত হয়েছে। কর্মসূচির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে রয়েছে আটটি Memoranda of Understanding (MoUs) এবং চারটি প্রযুক্তি হস্তান্তর উদ্যোগ। এছাড়াও দুটি পণ্যের প্রকাশ এবং একটি পরিকাঠামোর উদ্বোধন করা হচ্ছে। CGCRI-এর নতুন লোগো, কমপেন্ডিয়াম ও Bootcamp-ও প্রকাশ করা হয়েছে।

একটি Industry Meet বা শিল্প সমাবেশে শিল্পে জগতের পদস্থ প্রতিনিধি ও অন্যান্য অংশীজন বিজ্ঞানী এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে মতবিনিময়ে অংশ নেন। শিল্প ও গবেষণার মধ্যে সংযোগ আরও শক্তিশালী করা এবং সহযোগিতা, প্রযুক্তি গ্রহণ ও বাণিজ্যিকীকরণের সুযোগ চিহ্নিত করাই ছিল এর মূল লক্ষ্য।

ড. জিতেন্দ্র সিং বলেন, পূর্ব ভারতের বৈজ্ঞানিক ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতার সঙ্গে শক্তিশালী শিক্ষা ও শিল্পভিত্তির সমন্বয় ভারতের প্রযুক্তিনির্ভর বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। প্রযুক্তি হস্তান্তরের অন্যতম প্রধান মাধ্যম হিসাবে স্টার্টআপগুলি কাজ করতে পারে। ইস্পাত, অ্যালুমিনিয়াম, খনি, পাট, IT ও সফটওয়্যার ক্ষেত্রের প্রতিষ্ঠিত শিল্প সংস্থাগুলিও দেশীয় প্রযুক্তিকে বৃহৎ পরিসরে নিয়ে যাওয়ার গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হয়ে উঠতে পারে বলে তিনি জানান।

ভারতীয় গবেষণাগার থেকে উদ্ভূত দেশীয় মেশিন, অপটিক্যাল নেটওয়ার্ক ও অন্যান্য প্রযুক্তিতে নতুন সক্ষমতা যোগ করতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং ডিজিটাল প্রযুক্তির আরও বেশি ব্যবহারের আহ্বান জানান তিনি। এর ফলে, শিল্প ও স্টার্টআপের জন্য নতুন সুযোগ তৈরি হবে বলে তিনি জানান।

মন্ত্রী বলেন, মহাকাশ, বায়োটেকনোলজি, পরমাণু শক্তি ও ডিজিটাল অর্থনীতির ক্ষেত্রে ভারতের সাম্প্রতিক অগ্রগতি এবং টিকা, থেরাপিউটিকস ও অন্যান্য উন্নত প্রযুক্তির মতো ক্ষেত্রে দেশীয় উদ্ভাবন দেখিয়ে দিয়েছে, সরকার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও শিল্প একসঙ্গে কাজ করলে বিজ্ঞানভিত্তিক ব্যবস্থার কতটা সম্ভাবনা রয়েছে। বৃদ্ধির পরবর্তী পর্যায়ে এই সমন্বয়কে আরও গভীর, বিস্তৃত ও দীর্ঘস্থায়ী করতে হবে বলে তিনি জানান।

ড. জিতেন্দ্র সিং বলেন, বিকশিত ভারত ২০৪৭-এর লক্ষ্যে পৌঁছতে ভারতকে তার ঐতিহাসিক বৈজ্ঞানিক ঐতিহ্যের সঙ্গে দেশীয় প্রযুক্তি, উদ্যোগ, আধুনিক উৎপাদন এবং শক্তিশালী শিল্প অংশীদারিত্বকে যুক্ত করতে হবে। ষষ্ঠ RISE Conclave বাংলার ঐতিহাসিক বৈজ্ঞানিক চেতনার সঙ্গে ভারতীয় উদ্যোগের নতুন শক্তির মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ সেতু হিসেবে কাজ করতে পারে। এর মাধ্যমে দেশীয় উদ্ভাবনের সাহায্যে ভারতকে নির্মাণ, উৎপাদন, চিকিৎসা ও নেতৃত্বের ক্ষেত্রে আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব হবে বলে তিনি জানান।