ডা চন্দ্রগুপ্ত

চতুর্থ পর্বের পর……

…….

হাবুল অথবা অন্য কেউ-ই আজ প্রণবদার প্রশ্নেকে চ্যালেঞ্জ করে না। শুধু মাথা নীচু করে ভাবতে থাকে সামনে বসা তাদের নেতার তুখোড় নেটওয়ার্ক আর ব্যক্তিত্বের কথা। শুধু মাত্র বুদ্ধি খাটিয়ে দলকে জেলাস্তরে এক অভেদ্য দুর্গে পরিণত করেছে। টেবিলের ওপরে রাখা অ্যাশট্রেটা সামনের দিকে ঠেলে দিতে কানাই সতর্ক হয়। এটা হল চেয়ার ছেড়ে ওঠার সিগন্যাল। একলাফে প্রণব বসুর চেয়ারে পেছনে গিয়ে দাঁড়ায় ব্যাগটা নিয়ে দলের অন্য সবাইও প্রণবদার ও অভ্যেসের কথা জানে। তবে আজ যেন ওরা হাফ ছেড়ে বাঁচলো।

কলেজ নির্বাচনের দিন যত এগিয়ে আসছে, পুলক চক্রবর্তীর চিন্তা তত বাড়ছে। চিন্তা এ কারণে নয় যে ওদের প্রগতিশীল ছাত্রদল এবার মৃন্ময় কয়াল কলেজ সংসদ দখল করতে পারবে কিনা। পুলক চিন্তিত, কারণ রৌনক যেভাবে প্রগতিশীল ছাত্রদলের সদস্যদের একত্রিত করছে, তাতে লেবার পার্টির ছাত্র সংঘ নির্বাচনে মুখ থুবড়ে পড়বে।

কিন্তু এর ফলে অঞ্চলে ব্যাপক হিংসা ছড়াবে। রৌনকের গৃহ-শিক্ষক থাকার সময় থেকে ওকে প্রগতিশীল দলের জন্যে তৈরি করেছে। লেবার পার্টির সমর্থক বাড়ির ছেলেকে এভাবে বিপরীত ভাবধারার একটি দলে টানা ছিল পুলকের রাজনীতির সাফল্য। এবার সে বৃক্ষ ফল দেবে!

ক্রমশ…..