চন্দন চ্যাটার্জী

মহাপুরুষরা পৃথিবীতে আসেন তাদের পবিত্র বাণী-মত এই ধরাধামে বিলিয়ে দিতে। দুঃখী, পাপী, জরাগ্রন্থ মানুষদের উদ্ধার করেন তারা। পথ দেখান সত্যের। সে আলোকে তারা ভাসিয়ে নিয়ে যান নিজেদের পরিজনদেরও।

তথাগত বুদ্ধ রাজপ্রাসাদে আসার পরে স্ত্রী যশোধরা পুত্রকে চিনিয়ে দেন তার পিতাকে। বলেছিলেন, ‘তোমার পিতার কাছে অমূল্য ধন সঞ্চিত আছে। সেই পিতৃধন তুমি চেয়ে নাও আজ।’

বিস্মিত বালক তার বাবার সামনে দাঁড়ালে, ভগবান বুদ্ধ বলেছিলেন; ‘বৎস, আমার কাছে মণিমানিক্য কিছুই নাই, আছে সত্যব্রত। আজ সেই ধনই তুমি আমার থেকে লাভ করবে।’ এবার তিনি আর পুত্রকে দীক্ষিত করে নেবার জন্য বললেন এক শিষ্যকে। এভাবে পরিবারের ভ্রাতা নন্দও বুদ্ধের অনুগামী হয়েছিলেন।

শ্রাবন্তীর স্বনামধন্য শ্রেষ্ঠী সুদত্ত কাকতালীয়ভাবে ভগবান বুদ্ধের দর্শন লাভ করেছিলেন। পরবর্তীকালে দান এবং সেবায় নিজের সম্পদকেও উৎসর্গ করেছিলেন ইনি। বৌদ্ধশাস্ত্রে ইনিই অনাথপিণ্ডদ।

ক্রমশ…..