ডিজিটাল; ১৫ সেপ্টেম্বর: আন্তর্জাতিক বাজরা বর্ষ, ২০২৩-এর প্রাক্‌-সূচনা পর্বে বেশ কিছু উদ্যোগ গ্রহণ করেছে কেন্দ্রীয় কৃষি ও কৃষককল্যাণ দপ্তর। দেশের অতি প্রাচীন অথচ অধুনা বিস্মৃত কয়েকটি সোনালী শস্য সম্পর্কে জনসচেতনতার প্রসারই এর লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য। এই কারণে https://www.mygov.in/ – এই পোর্টালটিকে কাজে লাগানো হয়েছে। সরকারিভাবে বিভিন্ন প্রতিযোগিতা আয়োজনের ক্ষেত্রে এই পোর্টালটির ব্যবহার বেশ সফল বলেই জানা গেছে। এর আগেও এই পোর্টালটি ব্যবহার করে সরকার বেশ কয়েকটি প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছে। ভবিষ্যতেও এই ধরনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে বলে জানানো হয়েছে সরকারের পক্ষ থেকে।

‘ভারতের সম্পদ, স্বাস্থ্যের জন্য বাজরা’ – এই বিষয়টিকে অবলম্বন করে একটি মজার গল্প লেখার প্রতিযোগিতার সূচনা হয়েছে ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২২ থেকে। খাদ্য হিসেবে বাজরা গ্রহণের স্বাস্থ্যকর দিকটি দেশের নাগরিকদের কাছে তুলে ধরতেই এই বিশেষ উদ্যোগ। প্রতিযোগিতাটি শেষ হবে এ বছর ৫ নভেম্বর তারিখে। এই প্রতিযোগিতাকে ঘিরে ইতিমধ্যেই ভালো সাড়া পাওয়া গেছে।

‘বাজরা স্টার্ট-আপ উদ্ভাবন চ্যালেঞ্জ’ – এই অভিযানটি শুরু হয়েছে গত ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২২ থেকে। বাজরা উৎপাদনের ক্ষেত্রে বর্তমানে যে সমস্ত সমস্যা রয়েছে তার বাণিজ্যিক ও প্রযুক্তিগত সমাধান বাতলানোর জন্য এর মাধ্যমে উৎসাহিত করা হচ্ছে দেশের তরুণ মেধাশক্তিকে। এই উদ্ভাবন চ্যালেঞ্জে অংশগ্রহণের পথ খোলা থাকবে ৩১ জানুয়ারি, ২০২৩ পর্যন্ত।

‘মাইটি মিলেটস ক্যুইজ’ নামে একটি প্রতিযোগিতার সূচনা হয়েছে সম্প্রতি। বাজরা ও তার উপকারিতা সম্পর্কে নানা প্রশ্ন রয়েছে এই ক্যুইজে। প্রতিযোগিতা শেষ হবে আগামী ২০ অক্টোবর, ২০২২ তারিখে। গত মাসের ২০ থেকে ৩০ তারিখ পর্যন্ত, এই মাত্র ক’দিনেই ক্যুইজে যোগদানকারীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১০,৮২৪।

বাজরার গুরুত্ব সম্পর্কে একটি সঙ্গীত প্রতিযোগিতা ও তথ্যচিত্র প্রদর্শনের আয়োজন করা হবে আর কিছুদিনের মধ্যেই। আন্তর্জাতিক বাজরা বর্ষ, ২০২৩-এর ওপর লোগো ও স্লোগান প্রতিযোগিতা ইতিমধ্যেই অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিজয়ীদের নাম অনতিবিলম্বেই ঘোষণা করা হবে। আন্তর্জাতিক বাজরা বর্ষ, ২০২৩-এর গুরুত্বকে তুলে ধরতে নির্বাচিত লোগো ও স্লোগান খুব শীঘ্রই প্রকাশ করা হবে বলে সরকারিভাবে জানানো হয়েছে।