চন্দন চ্যাটার্জি

কপিলাবস্তুর লুম্বিনী বনে এক পুর্নিমার দিনে এ পৃথিবী পেয়েছিল অসামান্য এক সাধক ধর্মপ্রচারককে। স্বীয় উলপব্দিকে সাধারণের মধ্যে অতি সহজভাবে অনুপ্রবেশ করাতেন এই মহান তপস্বী মহান সাধক— গৌতম বুদ্ধ

বুদ্ধের ধর্মকে বলা হল ‘ধর্ম অনিতিহ’। যার মানে সাধকের প্রত্যক্ষ দৃষ্টির সামনে তার পরম তত্ত্ব প্রকাশিত হয় এবং অনুভূতির মাধ্যমে তা ধরা পড়ে। ধ্যান এবং সমাধির মধ্যে এটি লাভ করা যায়, যুক্তি-বুদ্ধি এক্ষেত্রে কোন গ্রাহ্যের মধ্যেই আসে না। সময় সময় তথাগত বুদ্ধ সাধারণ মানুষ এবং ভিক্ষুকদের অতি সহজ ভাষায় ধর্মের গূঢ় তত্ত্ব বুঝিয়ে দিতেন যা তিনি লাভ করেছিলেন ত্যাগ-তিতিক্ষা এর কুচ্ছসাধনের মাধ্যমে। তাঁর বাণী ছিল ‘ধর্ম সাধনায় বিশ্বাস অতি প্রয়োজনীয় কিন্তু তাকে টিকিয়ে রাখতে উপলব্ধি ঘটে মানুষের নিজের মনেই।

ভগবান বুদ্ধের উপদেশের মূল বিষয় হল অনিত্যপদ। তার মতে, সবই অনিত্য, সবই দুঃখ, সবই আনাত্ম। প্রেম ও সত্যনিষ্ঠাই হল বুদ্ধের প্রচারকদের প্রধান সম্পদ। ভয়ঙ্কর দস্যু অঙ্গুলিমালও ভগবান বুদ্ধের সামনে আত্ম সমর্পণ করেছিলেন। এই দস্যুর নামকরণ এর কারণও ভয়ঙ্কর। ইনি লুটতরাজ করার পর সর্বশ্রান্ত মানুষের আঙুল কেটে তার মালা তৈরি করে পড়তেন। এ কারণে তার নাম হয় আঙুলিমালা। এ সম্পর্কে একটি আকর্ষক গল্প শোনা যায়;