গৌতম দে
সপ্তম পর্বের পর…….
……… —আস্তে হাঁটলে হবে! ওদের থেকে দূরে থাকতেহবে…।
-কেন?
—আমরা তো মিটিংয়ে যাব না।
—তালে যাব কোথা?
–চ না, এট্টু ঘুরেঘারে কোলকেতাটা দেখি। সুখেন খুব উৎসাহ নিয়ে বলে বটে। কিন্তু কোথায় যাবে, সে নিজেও জানে না। তবুও বলে, সেই খোকার মত বয়সে বাপের হাত ধরে এসেচিলুম ইখানে, কোথায় গেচিলুম এখন আর মনে নাই… আর এখন…।
—তুমি তাও এসেচ। আমি তো এই পেরথম। বলে মালতি প্রাণ খুলে হেসে ওঠে। খুব খুশি হয়। মেয়ে টুবলি চিৎকার করে কেঁদে ওঠে। তার খিদে পেয়েছে যে। ছেলে টুবলাও বলে আমারও। সুখেন দুজনকে দুই প্যাকেট পটেটোচিপস কিনে দেয়। তাতে খুশি ছেলেমেয়ে।
গড়ের মাঠের দিকে আজ যাওয়া যাবে না। গাড়ির ভিড়। মানুষের ভিড়। আশপাশে বড় বড় বাড়ির ভিড়। সেসব দিকে হাঁ করে তাকাতে তাকাতে মালতিরা হেঁটে চলে। ভিক্টোরিয়ার ফুটপাত ধরে হাঁটতে গিয়েই চমকে ওঠে। বাপরে! কত সুন্দর বাড়ি! যেন রাজপ্রাসাদ। রাজপ্রাসাদের মাথায় আবার একটা পরি।
—পরি কেন? হাঁটতে হাঁটতে মালতি জিগ্যেস করে স্বামীকে।
—জানি না।
ক্রমশ…….
