ডা চন্দ্রগুপ্ত
নবম পর্বের পর…….
……….
জেলা থেকে রাজ্য কমিটিতে আউট অফ্ টার্ন যাবার আগে প্রণব বসুর এই মিটিং এর বিষয়বস্তু জানতে খুব ইচ্ছে করছে লকার। কিন্তু ব্রাঞ্চ সেক্রেটারী হয়ে কানাইকে এ বিষয়ে কিছু জিজ্ঞাসা করা যায় কিনা সেই দ্বন্দ্ব মনে রয়েছে। ততক্ষণে কানাই প্রায় ওর সামনে চলে এসেছে। ‘কি খবর গো কানাইদা, সিরিয়াস ব্যাপার মনে হচ্ছে?’ দেঁতো হেসে লা কানাইয়ের দিকে কথাটা ছুঁড়ে দিল। ‘নিজের চরকার তেল দে।’ ছোট্ট অথচ গা জ্বালানো কথাটা বলে কানাই ভেতরে ঢুকে গেল। লকার মনে হচ্ছিল এক ঘুঁষিতে কানাই-এর থোবড়া বিলা করে দেয়। মনের রাগ বেড়ে ওঠার আগেই বসে থাকা সদস্যদের একজন বলে উঠল, চরকা কবে কিন্লি রে লট্কা?
পাশে থেকে আর একজন বলল, ‘তেল কেনার পয়সা না থাকলে আমরা চাঁদা তুলতে পারি কিন্তু’।—লা বুঝতে পারছে আজ ওরা মুরগী করবে ওকে। সব শালা ঐ কানাই হারামীটার জন্যে হল। পার্টি অফিস থেকে এখন চলে যাওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ। পা চালিয়ে যেতে যেতে লা শুনতে পেল বন্ধুদের তির্যক মন্তব্য,—চুলকে ঘা বানানোর স্বভাব গেল না লকার’।
ক্রমশ…….
