ডা চন্দ্রগুপ্ত
১৪ তম পর্বের পর……..
ঘরে ঢুকে শোওয়া রৌনকের পা থেকে মাথা অবধি চোখ খেলিয়ে বললেন,
—একা অতজন ছেলের সাথে লড়তে গেলে কেন? হিরো হবে? তোমার বন্ধুদের ডেকে নিলেই তো কাজ হত।
—আসলে ওরা তো— রৌনককে থামিয়ে দিয়ে
প্রণব বসু বলল,
—সৎ এবং সাহসী যুবকের অভাব খুব। তা সত্ত্বেও তোমরা যদি নিজেদের বিপদের মুখে নিয়ে যাও তাহলে তো…
– দেখুন, আমার বন্ধুরা ব্যাপারটা দেখা সত্ত্বেও সাপোর্ট করেনি, সবাই ভয়ে পালিয়েছে। ঐ সময় আপনাদের ছেলেরা না আসলে — ওফ্ । ভাবতেই পারছিনা। অবশ্য পুলকদা বলেছে, পার্টি থেকে এর জন্যে অ্যাকশন্ নেবে।
টানা কথাগুলো বলে নিজেকে বেশ ফ্রেশ লাগছে। রৌনকের। কোন ভাবেই নিজের দলের গোষ্ঠি কোন্দল প্রণব বসুর কাছে প্রকাশ করা যাবে না। তবে এখনো মনে হচ্ছে যে কাল যদি লোকাল লেবার পার্টির লোকেরা না আসত, তাহলে এখন বাড়ির খাটে না, হসপিটালের বেডে থাকতে হত।
সমস্ত বিষয়টা একেবারে সময় মেপে হয়েছে, ঠিক যেমনটা প্রণব চেয়েছিল। তবুও ডিপ্লোম্যাটিক থাকতে হবে। ধাপে ধাপে অপারেশন করতে হলে প্রত্যেকটি ধাপ হিসেব করে পার করতে হবে। এ খেলাতে তাকে জিততেই হবে।—’আমাদের পার্টিতে শৃঙ্খলা নষ্ট করছে। এমন সদস্য নেই একথা বলব না। কিন্তু যেহেতু নীচুতলা থেকে একটা সিস্টেম মেনে সবাই ওপরে ওঠে। তাই সবাইকে মোটামুটি নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়। আমার থেকে তোমার বাবা এটা আরো ভালো জানেন। কারণ দলের হাতে গোনা বর্ষিয়ান সদস্যদের মধ্যে উনি একজন।
ক্রমশ…….
