শ্রেয়া ঘোষাল

ষষ্ঠ পর্বের পর……

………….. উঠছেন, পায়চারি করছেন।

এই দেরাজ, ঐ অ্যালমারি খুলে এটা সেটা। প্রদীপের তেলের সঙ্গে মেশাচ্ছেন কিছু। জানলার পর্দা সরিয়ে একটু আলো আসতে দিলেন।

আবার টেনে দিলেন। একটা শেল্ফ থেকে একটা ছোট্ট ছবি বার করলেন, একটা আয়না। নূরি নূরি বলে প্রায় ফিসফিস করে ডাকলেন কাকে।

আমরা যেখানে বসেছি, তার বাঁদিকে একটা স্লাইডিং দরজা, বুঝতেই পারিনি -এতক্ষণ। লম্বা চওড়া, ঘাগরার মতো কিছু একটা পোশাক, উজ্জ্বল লাল, জরি মিরের কাজ। হাতভরা দামী ধাতুর মোটা কঙ্কণ, গলায় হাঁসুলি, হীরের মতো পাথরের ঝুমকো দু কানে।

সদ্য দাড়ি কামানো গালে সবুজ আভা। লম্বা নখ দুহাতের আঙুলে। যত্নে চর্চা করা। নূরী। হয়তো পুরো নাম নুরজাহান। একটু থমকালাম। অব্যক্ত লক্ষ্য করছিলেন আমাদের ধারালো দৃষ্টি চামড়া, পেশি ভেদ করে ঢুকে যেন লাফালাফি করে দিচ্ছে।

আর ঐ তীব্র রশ্মি প্রতিবিম্বিত অব্যক্তার দুচোখ আয়নায়। বিলকুল বেআব্রু যেন আমরা। ফিলিং আনকম্ফর্টেবল? অ্যাকচুয়ালি হোয়াটেভার পাওয়ার আই হ্যাভ, যোভি হোতা হ্যায় মেরে সব কুছ ম্যায়নে শিখা ইনসে।

আমি একটু কেশে বললাম, আমাদের কোন অসুবিধে নেই। সুকোমল হ্যালো বলতে নুরী পুরুষালি গলায় নমস্তে বলে নাড়ুর ছবিগুলো খুঁটিয়ে দেখতে শুরু করলেন। অব্যক্ত বললেন আপলোগ একিডনাকো পহেচানতে? গডেস হ্যায়।

ক্রমশ……