পপি পারমিতা ( ঢাকা , বাংলাদেশ)
দ্বিতীয় পর্বের পর…….
রতন তাহলে পারুলের প্রিয় মানুষ।
ব্যস্ততায় আজ আর যাওয়া হয়নি পারুলকে আনতে। পারুল সকালেই বলেছিল পূন্য নতুবা পাপের ফল, যেভাবেই হোক ওকেই ভোগ করতে হবে। পারুলের সঙ্গে চার বছরের মেয়ে জ্যোতি আছে। হয়তো ওটা মাথায় রেখেই স্বামীকে ওভাবে কথাটা বলেছে। না, স্বামীকে নয়। একজন বাবাকে বলেছে— বাবা কীভাবে থাকবে একমাত্র সন্তানকে দূরে ঠেলে দিয়ে থাকতে। দেখতে দেখতে পাঁচ বছর হয়ে গেল ওদের বৈবাহিক জীবনের। পারুল কখনোই সংসার গুছিয়ে করতে জানেনি। রতন মেনে নিয়েছে। সবাইতো আর সবটা জানবে না তাই না। এ বাড়িতে বহুদিনের পুরনো একজন ঝি ছিল। সমীরন। পারুলকে বিয়ে করে আনবার আগে থেকেই ছিল মহিলাটি। সমীরনকে রতন কোনদিন কাজের বেটি হিসেবে সনাক্ত করেনি। বড় বোনের মতোই জেনেছে তাঁকে। রতন তাঁকে ডাকত সমিরন বুবু। সেই সমিরন বুবু কেন জানি শুরু থেকেই পারুলকে পছন্দ করত না। বাকী সব ঠিক ছিল। রান্নাবান্না ঘর গোছানোর কাজ সব সমিরন বুবুই করত। এ বাড়িতে আরও একজন ছেলে ছিল।
ক্রমশ….
