ওয়েব ডেস্ক; ১৬ জুন : স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রক ২৯ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখের গেজেট বিজ্ঞপ্তি জি.এস.আর. ৯২৭ (ই)-এর মাধ্যমে ‘ড্রাগস রুলস, ১৯৪৫’-এ একটি সংশোধনী এনেছে; এই বিজ্ঞপ্তিটি ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে ‘গেজেট অফ ইন্ডিয়া এক্সট্রাঅর্ডিনারি’-র দ্বিতীয় খণ্ড, তৃতীয় বিভাগ, উপ-বিভাগ (১)-এ প্রকাশিত হয়েছে এবং এর মাধ্যমে ‘ক্লাস অফ ড্রাগস’ (ওষুধের শ্রেণি)-এর অন্তর্গত ‘তপশিল কে’ (Schedule K)-এর ক্রমিক নং ১৩-এর এন্ট্রি ৭ থেকে “Syrup” (সিরাপ) শব্দটি বাদ দেওয়া হয়েছে।
‘ড্রাগস রুলস, ১৯৪৫’-এর ‘তপশিল কে’-তে নির্দিষ্ট কিছু শ্রেণির ওষুধের ক্ষেত্রে ‘ড্রাগস অ্যান্ড কসমেটিকস অ্যাক্ট, ১৯৪০’ এবং এর অধীনে প্রণীত বিধিসমূহের কিছু বিধানে ছাড়ের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এই সংশোধনীটির আগে, ‘তপশিল কে’-এর ১৩ নম্বর এন্ট্রিতে ১,০০০-এর কম জনসংখ্যাবিশিষ্ট গ্রামে খুচরো বিক্রয়ের লাইসেন্স সংক্রান্ত নির্দিষ্ট কিছু বিধান মেনে চলার আবশ্যকতা ছাড়াই কাশির সিরাপ বিক্রির অনুমতি দেওয়া হয়েছিল।
উক্ত তালিকাভুক্ত বিষয় থেকে ‘সিরাপ’ শব্দটি বাদ পড়ার ফলে, কাশির সিরাপের ক্ষেত্রে এই ছাড় আর প্রযোজ্য হবে না। এর ফলে, ছোট গ্রামগুলিতেও এখন ‘ড্রাগস অ্যান্ড কসমেটিকস অ্যাক্ট, ১৯৪০’ এবং এর অধীনে প্রণীত বিধিসমূহের বিধান অনুযায়ী, যথাযথ লাইসেন্সপ্রাপ্ত ফার্মেসির মাধ্যমেই কেবল কাশির সিরাপ বিক্রি ও সরবরাহ করতে হবে।
সিরাপের ফর্মুলেশন বা প্রস্তুতপ্রণালীর ওপর নিয়ন্ত্রণমূলক তদারকি জোরদার করতে এবং ছাড় সংক্রান্ত ব্যবস্থাকে জনস্বাস্থ্য ও সুরক্ষা বিষয়ক বর্তমান প্রয়োজনীয়তার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করতে এই সংশোধনী আনা হয়েছে।
কাশি-প্রতিরোধী সিরাপের ব্যবসায় যুক্ত প্রস্তুতকারক, পরিবেশক এবং খুচরো বিক্রেতাদের বলা হচ্ছে যে, তাঁরা যেন ‘ড্রাগস অ্যান্ড কসমেটিকস অ্যাক্ট, ১৯৪০’ এবং ‘ড্রাগস রুলস, ১৯৪৫’-এর আওতায় প্রযোজ্য লাইসেন্স ও নিয়ন্ত্রণমূলক শর্তাবলি কঠোরভাবে মেনে চলেন।
সূত্র : পি আই বি
