শুভাবরি ওয়েব ডেস্ক, ৪ মে, কলকাতা :
দেশের প্রধানমন্ত্রী এবং গৃহ মন্ত্রী তার সাথে আরো মন্ত্রিসভার গুরুত্বপূর্ণ সদস্যদের সম্মিলিত প্রচার অভিযান অবশেষে এ রাজ্যে ভারতীয় জনতা পার্টিকে ক্ষমতায় নিয়ে এলো কিন্তু এই ক্ষমতায় নিয়ে আসার পেছনে শুধু কি এই সমস্ত মন্ত্রীদের নির্বাচনী প্রচার নাকি তৃণমূলের অনেক ত্রুটি ছিল কোন কোন ত্রুটি তৃণমূল সরকারকে মানুষের থেকে দূরে সরিয়ে দিয়েছিল
প্রথমেই আসছি সিন্ডিকেট রাজ অর্থাৎ জলা জমি বুজিয়ে সেখানে প্রমোটিং এর ব্যবসা, সিমেন্ট, বালি, স্টোনচিপস্, লোহার রড এগুলো সাপ্লাইয়ের জন্য নির্দিষ্ট তাদের দলের সদস্যদের দেওয়া।
এরপর বলব যেসব চাকরি প্রার্থীরা চাকরি হারিয়েছেন তাদের জন্য সরকার কোনো ব্যবস্থা করতে পারেনি।
রাজ্য সরকারের কর্মচারীদের দীর্ঘদিন যাবত মহার্ঘ ভাতা বকেয়া রাখা।
সর্বত্র সজনপোষন নীতি ব্যাপকভাবে চালু করা।
এই সমস্ত গুলো বিষয়গুলো আজ যে দলকে ১০০র নিচে জনাদেশ নামিয়ে এনেছে এই সমস্ত বিষয়গুলোকে প্রাথমিকতার ভিত্তিতে ভারতীয় জনতা পার্টির উচিত হবে সমাধান করা। কারণ, রাজ্যের মানুষ তাদের যে মতাধিকার প্রয়োগ করেছেন সেটা বিজেপির পক্ষে কিনা সেটা নিশ্চিত না হলেও তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে সেটা নিশ্চিত।
অন্যদিকে বামফ্রন্ট তাদের ভোট শতাংশের হিসেবে জনাদেশ হয়তো বাড়িয়েছেন। কিন্তু সেটা একেবারেই নগণ্য। পরিসংখ্যান অনুযায়ী দেখা গেছে দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা, উত্তর 24 পরগনা এবং কলকাতার নির্দিষ্ট কিছু অঞ্চলে একটি নির্দিষ্ট শ্রেণীর মানুষের বাড় বাড়ন্ত এবং অত্যাচার তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতি বিতৃষ্ণার অন্যতম কারণ বলা যেতে পারে।
পরিশেষে, সাধারণ মানুষ তাকিয়ে আছে একটি সুশৃংখল শাসন ব্যবস্থার দিকে। যেখানে সিন্ডিকেট রাজ থেকে ক্রমাগত দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি, চাকরিহীনতা এগুলো বন্ধ করা যায় কিনা।
