ওয়েব ডেস্ক; ২৯ আগস্ট: টেলিযোগাযোগ দফতরের (ডিওটি) নাগরিক-কেন্দ্রিক উদ্যোগ ‘সঞ্চার সাথী’ সম্প্রতি হারিয়ে যাওয়া বা চুরি হওয়া মোবাইল হ্যান্ডসেট উদ্ধারের ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য মাইলফলক স্পর্শ করেছে। চালুর পর থেকে এই প্রথমবার সঞ্চার সাথী দেশজুড়ে এক মাসে ৭৫,০০০-এরও বেশি মোবাইল হ্যান্ডসেট উদ্ধারে সহায়তা করেছে।
ডিওটি যৌথ উদ্যোগের মাধ্যমে সংশ্লিষ্টদের মতামত গ্রহণ করছে, যাতে এই ব্যবস্থায় ক্রমাগত উন্নতি ঘটিয়ে হ্যান্ডসেট উদ্ধারের হার আরও বাড়ানো যায়। এই সাফল্য অর্জনের লক্ষ্যে গৃহীত প্রধান পদক্ষেপগুলি নিচে উল্লেখ করা হলো:
এসএমএস, ইমেল এবং পোর্টাল ও অ্যাপের মাধ্যমে নাগরিকদের ‘ট্রেসেবিলিটি রিপোর্ট’ বা অবস্থান শনাক্তকরণ সংক্রান্ত রিপোর্টে সংশ্লিষ্ট থানার নাম জানানো হচ্ছে।
উদ্ধারের হার বাড়ানোর লক্ষ্যে হারিয়ে যাওয়া বা চুরি হওয়া মোবাইল হ্যান্ডসেটে ব্যবহৃত নতুন সিম কার্ডের বিবরণ (বিকল্প মোবাইল নম্বর সহ) পুলিশ কর্তৃপক্ষকে সরবরাহ করা হচ্ছে।
উদ্ধার করা মোবাইল হ্যান্ডসেটটি সন্দেহভাজন ম্যালওয়্যার থেকে সুরক্ষিত রাখতে নাগরিকদের ‘ফ্যাক্টরি রিসেট’ করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
ডিওটি-র ‘ডিজিটাল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট’ (ডিআইইউ) বা ডিজিটাল গোয়েন্দা শাখা এবং এর ফিল্ড স্তরের ইউনিটসমূহ – পাশাপাশি বিভিন্ন রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের পুলিশ কর্মীরা – নিবিড় সমন্বয়ের মাধ্যমে কাজ করছেন, যাতে ডিভাইসগুলি দক্ষতার সাথে শনাক্ত করে প্রকৃত মালিকের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া যায়। ডিওটি এবং রাজ্য/কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের পুলিশের নিরলস প্রয়াসের ফলে মাসিক হ্যান্ডসেট উদ্ধারের হার ২০১% বৃদ্ধি পেয়েছে (এপ্রিল ২০২৫ থেকে জুলাই ২০২৬-এর মধ্যে)। নিচে তা তুলে ধরা হল:
নাগরিকরা ওয়েব পোর্টাল (www.sancharsaathi.gov.in) বা মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে সহজ কয়েকটি ধাপে সঞ্চার সাথী-তে হারিয়ে যাওয়া বা চুরি হওয়া হ্যান্ডসেট সম্পর্কে রিপোর্ট করতে পারেন। রিপোর্ট করার সাথে সাথেই ভারতীয় টেলিকম নেটওয়ার্কে মোবাইল হ্যান্ডসেটটি ব্লক করে দেওয়া হয়, যাতে এই ধরনের ডিভাইসের অপব্যবহার রোধ করা যায়। হারিয়ে যাওয়া বা চুরি হওয়া হ্যান্ডসেটটি ব্যবহারের কোনও চেষ্টা করা হলে, নেটওয়ার্কের মাধ্যমে তা শনাক্ত করা হয় এবং সংশ্লিষ্ট নাগরিক ও থানায় সতর্কবার্তা পাঠানো হয়, যাতে সেটি উদ্ধার করে প্রকৃত মালিকের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া সম্ভব হয়। সরকারের ‘ডিজিটাল ইন্ডিয়া’ ভিশনের সাথে সামঞ্জস্য রেখে, ‘সঞ্চার সাথী’-র মাধ্যমে নাগরিকদের ক্ষমতায়ন এবং ডিজিটাল সম্পদ সুরক্ষায় টেলিযোগাযোগ বিভাগ (ডিওটি) প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
