ডা চন্দ্রগুপ্ত

দ্বিতীয় পর্বের পর….

সূর্যোদয়ের পথে পর্ব ২

গতকাল থানার বড়বাবু বিনোদকে রাস্তায় ধরেছিল। থার্মাল বাজার থেকে বাজার করে রাস্তায় আসতেই, উনি হাতের ইশারাতে বিনোদকে ডাকলেন। আজ স্কুল একটু আগে ছুটি হওয়াতে মনটা বেশ ফুরফুরে লাগছিল বিনোদের। কিন্তু বড়বাবুর ডাকে মেজাজ চটকে গেল। রাস্তা পেরিয়ে ওর সামনে গিয়ে নমস্কার জানালো বিনোদ। —কি খবর রে বিনোদ? এত আগে যাচ্ছিস আজ? —হজুর, আজ আগে ছুটি হয়ে গেল, তাই। —ওও— ও। বাড়ি গিয়ে বিশ্রাম কর তাহলে।— ভৈরোর কি খবর?

—জানি না হুজুর। ভয়ে ভয়ে উত্তর দেয় বিনোদ। —তোরা সবই জানিস। কিন্তু বলবি না। বলাতে আমি জানি, সেটার দরকার হবে নাকি?

ভয়ে কুঁকরে যায় বিনোদ। ও শুনেছে পুলিশ কি ভাবে কথা বলিয়ে নেয়। কিন্তু কঞ্চকিরোর ছেলে ভৈরোকে তো সবাই চেনে। এখন তো জঙ্গল ভাইদের নেতা বলে খবরের কাগজের কল্যানে সারা দেশ ভৈরোর নাম জানে। বড়বাবু তবুও কেন যে এসব জানতে চায় কেন জানে। বিনোদকে চুপ থাকতে দেখে কঠিন মুখে বড়বাবু বলতে থাকে,

—মনে হচ্ছে, এবার তোর স্কুলের ঘন্টা বাজানোর ডান্ডাটাই তোর পেছনে দিতে হবে।— যা !

ক্রমশ……