ওয়েব ডেস্ক; ১৩ আগস্ট: ভারত সরকারের ইলেকট্রনিক্স ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রকের ডিজিটাল ইন্ডিয়া কর্পোরেশন (DIC)-এর অধীন ডিজিটাল ইন্ডিয়া ভাষিণী ডিভিশন (DIBD) এবং ভারত সরকারের নীতি আয়োগ, ‘ভাষিণী ফর সেবা/সঞ্চালন’ উদ্যোগের মাধ্যমে অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রশাসন এবং নাগরিক-কেন্দ্রিক জনপরিষেবা প্রদানের জন্য উন্নত বহুভাষিক এআই-এর জন্য স্টেটমেন্ট অফ ইন্টেন্ট স্বাক্ষর করেছে। ডিজিটাল ইন্ডিয়া ভাষিণী ডিভিশনের সিইও অমিতাভ নাগ এবং নীতি আয়োগের পক্ষে অধিকর্তা শোয়াবআহমেদ কালাল এই আগ্রহপত্রে স্বাক্ষর করেন।
এই সহযোগিতার লক্ষ্য ভাষিণীর বহুভাষিক এআই পরিমণ্ডলকে উন্নত করা যাতে প্রশাসন আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক হয় এবং সহজলভ্য হয়। নীতি আয়োগের ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম এবং পরিষেবা জুড়ে এআই নির্ভর ভাষা প্রযুক্তি সংহত করার দ্বারা। এই অংশীদারিত্বের ফলে সরকারি তথ্য এবং পরিষেবা নাগরিকের পছন্দের ভাষায় পাওয়ার সুবিধা হবে। এতে সরকার এবং নাগরিকের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধি পাবে।
এই আগ্রহপত্রের মাধ্যমে ‘ভাষিণী উদ্যত’, ‘ভাষিণী মিত্র’, ‘ভাষিণী অ্যাপমিত্র’, ‘ভাষিণী সহযোগী’ এবং ‘ভাষিণী প্রবক্তা’ জুড়ে দুই সংস্থাই কাজ করবে। নীতি আয়োগের পরিষেবার বহুভাষিক সুবিধা মিলবে ভাষিণীর ভাষা অনুবাদ এপিআই এবং অন্য অ্যাপের মাধ্যমে।
নির্দিষ্ট নীতি আয়োগ ক্ষেত্রের জন্য রেফারেন্স অ্যাপ্লিকেশনস অ্যান্ড ভয়েস বটস-এর উন্নতিতে সহায়তা করবে। শক্তিশালী করবে ভাষা প্রযুক্তিকে বিশেষ পরিভাষা ও ক্ষেত্র-নির্দিষ্ট প্রয়োজনীয়তার জন্য। ‘ভাষিণী সহযোগী’-র মাধ্যমে, এই অংশীদারিত্ব ভাষাদানকে উন্নীত করবে, ভাষা সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ, নির্মাণ এবং প্রচারের জন্য। নীতি আয়োগের আধিকারিকগণ এবং নাগরিকদের উৎসাহিত করা হয়েছে বিভিন্নভাবে সাহায্য করার জন্য।
‘ভাষিণী প্রবক্তা’-র মাধ্যমে, দুটি সংস্থা ভাষিণীর পরিষেবাগুলি সম্পর্কে সচেতনতা প্রসারের লক্ষ্যে কাজ করবে। এই সহযোগিতা তৈরি হবে নীতিতারার উপর, যা তথ্যকে তৃণমূল স্তরে কাজে পরিণত করবে। সারা দেশে ২০০-র বেশি সক্ষমতাবর্ধন শিবিরের আয়োজন করা হয়, জেলা এবং ব্লক ত্বরের ৪ হাজারের বেশি আধিকারিকের ক্ষমতায়ন করা হয়। সাক্ষ্য ভিত্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য তথ্য চালিত অন্তর্দর্শন উন্নীত করবে।
এই পরিমণ্ডলের গুরুত্বপূর্ণ উপাদানটি হলো এসএমআরআইটিআই (সিস্টেম ফর মিটিং রেকর্ডিং, ইনফরমেশন অ্যান্ড ট্রান্সক্রিপশন ইন্টারফেস), ভাষিনীর সহযোগিতায় এটি তৈরি করা হয়েছে।
ভাষাগত পার্থক্য ঘোচাতে এই সহযোগিতা অবদান রাখবে বলে আশা করা যায়। এতে সরকার এবং জনগণের মধ্যে দ্বিমুখী যোগাযোগ স্থাপন সহজ হবে। আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক জনপরিষেবা প্রদানের জন্য বহুভাষিক কাজকর্মের প্রসার ঘটবে।
