শঙ্করী দে
সময়ঃ৬০মিনিট, ৮জনের
উপকরনঃ১৫০ গ্রাম আতপ চালের গুড়ো, ১৫০গ্রাম সিদ্ধ চালের গুড়ো, ১৫০গ্রাম সাদা তিল, ১০০গ্রাম নলেন গুড়, ১০০গ্রাম চিনি, ৩টি লবঙ্গ, ১কেজি আমূল লিকুইড দুধ, ১৫০গ্রাম জল, ১/৪চামচ নুন।
সাজানোর জন্যঃ কয়েকটি গোলাপের পাপড়ি, খেজুরের পাতা, ধানের গাছা, গামছা।
পদ্ধতিঃ ধাপঃ১প্রথমে আতপ ও সিদ্ধ চাল শিলে গুড়ো করে নিয়েছি । তারপর দুই রকম চালের গুড়ো মিশিয়ে তাতে নুন দিয়ে গরম জলে ভালো করে মেখে ঢাকা দিয়ে রেখেছি।
ধাপঃ ২ এবার ফ্রাইপেনে সাদা তিল লালচে করে ভেজে নিয়ে শিলে অল্প বেটে নিয়েছি ও তাতে খেজুরের গুড় গুড়ো করে মেখে নিয়েছি।
ধাপঃ ৩
মাখা চালের গুড়ো থেকে বড় আকারে লেচি করে বেলে রুটির মতো করে একটি গোল বাটির সাহায্যে গোল গোল করে রুটি কেটে নিয়েছি। এবার একটি রুটির মধ্যে দুই চামচ তিলের পুর
দিয়ে ,আর একটি চালের রুটি নিয়ে তার চারদিকে আঙুল জল ভিজিয়ে মাখিয়ে নিয়ে পুর
দেওয়া রুটির উপর দিয়ে আঙুল দিয়ে অল্প অল্প চেপে দুটো রুটি জুড়ে দিয়ে আঙুল দিয়ে মূড়ে মুড়ে চন্দ্রকলার আকারে করে নিয়েছি ।
ধাপঃ৪
এবার একটি পাত্রে দুধ ফুটিয়ে নিয়ে তাতে এলাচ ফাটিয়ে দিয়ে আর একটু ফুটিয়ে এবার তাতে পুর ভরা লেচি দিয়ে ১০ মিনিট ফুটিয়ে তাতে চিনি দিয়ে তিন থেকে চার মিনিট ফুটিয়ে নামিয়ে নিয়ে ঢাকা দিয়ে রেখেছি,কিছুখন পর ঢাকা সরিয়ে ঠান্ডা করে নিয়েছি এই ভাবে আমি তৈরি করেছি তিল চন্দ্রাকলা পিঠে।
এবার পরিবেশনের জন্য একটি প্লেটে সাজিয়ে তার উপর গোলাপের পাপড়ি দিয়ে দিয়েছি।
তিলের চন্দ্রকলা পিঠে র একটি ছোট্ট কাহিনী:
আমার মামা বাড়ি মধ্যপ্রদেশে ,আমরা মানে আমার বাবা,মা,আমি,বোন,বোনের বর,বোনের ছেলে,ও আমার ছেলে সবাই মিলে মামা বাড়ি বেড়াতে গিয়ে ছিলাম শীতের সময়,তখন আমার ছেলের বয়স ৬বছর,আমার দিদিমা,তার জামাই মানে আমার বাবাকে পিঠে খাওয়া বে বলে ঠিক করেছে অথচো নারকেল পায়নি,কি আর করবে ভেবে না পেয়ে তখন আমার দিদুন সাদা তিল দিয়ে তিল চন্দ্রকলা পিঠৈ বানিয়ে আমাদের খাইয়েছিলেন, খুব ভালো হয়েছিল খেতে তাই আমি ও আমার দিদুনের মতো বানিয়েছি।
