ওয়েব ডেস্ক; ২ নভেম্বর : সামগ্রিক পুষ্টিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কারণে ভারতীয়দের সুষম খাদ্যে দুধ একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। গুণমান ও স্বাস্থ্যবিধি নিয়ে ক্রমবর্ধমান আলোচনার মধ্যে, শিশুদের পুষ্টি, বৃদ্ধি ও বিকাশে গুণমানসম্পন্ন দুধের গুরুত্ব বুঝতে সাহায্য করার জন্য আশীর্বাদ সিলেক্ট মিল্ক একটি সক্রিয় পদক্ষেপ নিয়েছে। পুষ্টি মাস উপলক্ষে, কলকাতার স্কুলগুলিতে শহরব্যাপী একটি সচেতনতামূলক উদ্যোগ চালু করেছে, যার কেন্দ্রে রয়েছে তাদের অনন্য ‘প্রতিদিনের গুণমান রিপোর্ট কার্ড’। এর লক্ষ্য হলো দুধের গুণমানকে আরও স্বচ্ছ করে তোলা এবং উপভোক্তাদের কাছে তা আরও সহজে বোঝার উপযোগী করে তোলা। সংগ্রহ থেকে প্যাকেজিং পর্যন্ত, আশীর্বাদ সিলেক্ট মিল্ককে ৫ ধাপের গুণমান যাচাইয়ের অংশ হিসেবে ২৬-এরও বেশি টি গুণমানের মাপকাঠিতে পরীক্ষা করা হয়, যার ফলে উপভোক্তারা দৈনিক রিপোর্টের মাধ্যমে তাঁদের দুধের গুণমান যাচাই করতে পারেন।

বিশেষজ্ঞদের পরিচালনায় ইন্টার‍্যাক্টিভ সেশনের মাধ্যমে এই প্রচারাভিযান পুষ্টি-শিক্ষাকে সহজ, আকর্ষণীয় এবং দৈনন্দিন জীবনের সঙ্গে প্রাসঙ্গিক করে তুলছে। একই সঙ্গে, শিক্ষার্থীদের ছোটবেলা থেকেই সচেতনভাবে খাদ্য নির্বাচন করতে উৎসাহিত করছে, যা একটি উন্নত আগামীর ভিত্তি গড়ে তুলতে সহায়ক। রিপোর্ট কার্ডটি শিক্ষার্থীদের দুধের ঘাস থেকে গ্লাস পর্যন্ত যাত্রা এবং প্রতিটি দুধের প্যাকেটে ধারাবাহিক গুণমান বজায় রাখা ও স্বাস্থ্যবিধির মান নিশ্চিত করার সঙ্গে জড়িত কঠোর গুণমান পরীক্ষার প্রক্রিয়াগুলি কাছ থেকে জানার সুযোগ করে দেয়। এই উদ্যোগটি তৃণমূল স্তর থেকে সচেতনতা গড়ে তোলার ক্ষেত্রে ব্র্যান্ডটির প্রচেষ্টাকে প্রতিফলিত করে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে তাদের ব্যবহৃত দুধ সম্পর্কে সচেতন সিদ্ধান্ত নিতে সক্ষম করে তুলতে সাহায্য করে।

এই উদ্যোগ সম্পর্কে আইটিসি লিমিটেডের খাদ্যবিজ্ঞান বিভাগের প্রধান, ডাক্তার শান্তনু দাস বলেন, “পুষ্টি শিক্ষা সবচেয়ে কার্যকর হয় যখন শিশুরা এটিকে তাদের দৈনন্দিন পছন্দের সাথে একীভূত করতে পারে। উচ্চমানের প্রোটিন, ক্যালসিয়াম এবং অন্যান্য মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট সহ, এটি আমাদের ডায়েটের একটি মূল্যবান অংশ। এই উদ্যোগের মাধ্যমে, আমাদের লক্ষ্য হল তাড়াতাড়ি ইতিবাচক অভ্যাসকে উৎসাহিত করা এবং তরুণ শিক্ষার্থীদের ভারসাম্যপূর্ণ ডায়েটকে সমর্থন করার জন্য প্রাকৃতিকভাবে স্মার্ট পছন্দগুলির মধ্যে একটি হিসাবে দুধ তৈরি করতে সহায়তা করা। আমরা আশা করি এই পাঠগুলি পরিবারের মধ্যে পুষ্টি সম্পর্কে অর্থপূর্ণ কথোপকথনকে অনুপ্রাণিত করবে। “

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *